
জিয়াউদ্দিন সাইমুম [সূত্র : কালের কণ্ঠ, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫]

জিয়াউদ্দিন সাইমুম [সূত্র : কালের কণ্ঠ, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫]

সাম্প্রতিক চীন-ভারত বৈঠক সরাসরি সীমান্ত সঙ্ঘাত সমাধান না করলেও আঞ্চলিক শান্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করেছে। তবে বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের কারণে এ সহযোগিতা আংশিক ও কৌশলগত হবে। বাংলাদেশের জন্য সুযোগ এবং ঝুঁকি দুটোই বিদ্যমান। বিশেষত ৫ আগস্টের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের মানুষ ভারতের আধিপত্যবাদী প্রভাব থেকে মুক্ত হতে চায়। এ ক্ষেত্রে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দুই দেশেরই সহযোগিতা আশা করে। চীন-ভারতের নতুন মেরুকরণে দক্ষিণ এশিয়ার ভারসাম্য পরিবর্তন হলে এর প্রভাব বাংলাদেশ চাইলেও এড়াতে পারবে না। বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি বা নির্বাচন প্রস্তুতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে মাসুম খলিলী [সূত্র : নয়াদিগন্ত, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫]

সীমা মোসলেম [সূত্র : কালের কণ্ঠ, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫]

এইচ এম সাব্বির হোসাইন [সূত্র : সমকাল, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫]

ওয়াং হুয়াইও [সূত্র : সমকাল, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ]

যদি বিতর্কিত অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়ানো এবং বর্ণবাদের মতো অভ্যন্তরীণ সামাজিক সমস্যাগুলো মোকাবেলা করা সম্ভব হয়, তাহলে এই সম্পর্ক সফল দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার উদাহরণ হতে পারে। এটি মার্কিন-চীন প্রতিদ্ব›িদ্বতার মধ্যে বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে পারে। মো: বজলুর রশীদ [প্রকাশ : নয়াদিগন্ত, ৩১ আগস্ট ২০২৫]

বাংলাদেশের প্রয়োজন বন্ধু, প্রভু নয়। টিকে থাকার জন্য ও উন্নতির জন্য ভারসাম্যপূর্ণ, বহুমাত্রিক কূটনীতি অপরিহার্য। পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কের সেতু গড়ে তোলা, ভারতের পুরনো শর্ত ছাড়াই সে যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এইচ আর এম রোকন উদ্দিন, পিএসসি [সূত্র : নয়াদিগন্ত, ৩০ আগস্ট ২০২৫]

শশী থারুর [সূত্র : প্রথম আলো, ৩১ আগস্ট ২০২৫]

ড. মো. মোরশেদুল আলম [প্রকাশিত : জনকণ্ঠ, ২৯ আগস্ট ২০২৫]

তারেক হাসান [সূত্র : আমার দেশ, ২৮ আগস্ট ২০২৫]