কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

ইসরাইলি ঘৃণ্য রণকৌশল : অন্ধ-বধির পৃথিবী

মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো নীরবে এ হিংস্রতা দেখছে বা কেউবা মৌখিক সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের স্বৈরতান্ত্রিক রাজতন্ত্রের দেশগুলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আজ্ঞাবহ হয়ে থাকতে ব্যস্ত। একই সাথে নিজেরা নিরাপদে আরাম-আয়েশে রয়েছেন বলে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন! তাই ইতালির কবি ও মানবাধিকারকর্মী ড. ফ্রাঙ্কা কালোজা বলেছেন, ‘বধির বিশ্বের উদাসীন দৃষ্টির জন্য গাজার এই পরিণতি’ ড. এ কে এম মাকসুদুল হক [সূত্র : নয়াদিগন্ত, ১৪ জুন ২০২৫]

ইরানে ইসরাইলি হামলার গন্তব্য কতদূর

ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে ইসরাইল ব্যর্থ হলে কী হবে? ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভূপৃষ্ঠের গভীরে খুব সুরক্ষিত বলে মনে করা হয়। এমনও মনে করা হয় যে, ইরানের হাতে ১৬ থেকে ১৮টি পরমাণু বোমা পাঁচ থেকে আট দিনের মধ্যে ৩০০ থেকে ৩৫০ সেন্টিফিউজ পরিমাণে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ রয়েছে। চরম চাপে পড়লে ইরান পরমাণু পরীক্ষা চালাতে দ্বিধা নাও করতে পারে। মাসুম খলিলী [সূত্র : নয়াদিগন্ত, ১৪ জুন ২০২৫]

ট্রাম্পের তেলেসমাতি ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ

অবৈধ অভিবাসন দমনের বিরুদ্ধে ট্রাম্প কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে কারও কাছ থেকে একেবারে সমর্থন পাচ্ছেন না, এমন নয়। তাঁর সমর্থকদের অনেকেই শ্বেতাঙ্গ, মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত আমেরিকান। কেন তাঁরা অবৈধ অভিবাসীদের বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছেন? কারণটি আর কিছুই নয়, তারা বিশ্বাস করেন যে অবৈধ অভিবাসীরা সরকারনির্ধারিত ন্যূনতম মজুরির চেয়েও কম মজুরিতে কাজ করে থাকেন। ফলে অনেক দক্ষ মানুষই কাজ পাচ্ছেন না। তাঁদের কাজগুলো নিয়ে নিচ্ছেন অবৈধ অভিবাসীরা। জাহীদ রেজা নূর [প্রকাশ : আজকের পত্রিকা, ১৩ জুন ২০২৫]