রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর : চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা

রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর : চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা
কলামবাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর : চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা

২৩ আগস্ট, ২০২৬

ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন [সূত্র : যুগান্তর, ২৩ আগস্ট ২০২৬]

রোহিঙ্গা সংকট একটা দীর্ঘমিয়াদি জটিলতায় আবদ্ধ হতে চলেছে। এটা বাংলাদেশের জন্য এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। গত নয় বছর ধরে বাংলাদেশ এই সংকট টেনে চলছে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই সংকটের ব্যাপকতা বোঝাতে সক্ষম হলেও এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ এখনো আলোর মুখ দেখছে না। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা কমে আসা, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, সীমান্তে মাদক পাচার, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপন এবং পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

 

 

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা, ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ, বহুপক্ষীয় উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসব কার্যক্রম এ সংকট সমাধানে ফলপ্রসূ হয়নি। মিয়ানমার সরকার রাখাইনে আরাকান আর্মির অবস্থানে বিমান হামলা চালানোর সময় মিয়ানমার থেকে আসা গোলাগুলি সীমান্তের লোকজনের ঘরবাড়ি ও চাষের জমিতে পড়ে এবং এর ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

 
 

রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকা এবং বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। আরাকান আর্মির কাছে বিপুলসংখ্যক অস্ত্রের মজুত রয়েছে। এসব অস্ত্র অবৈধপথে যাতে বাংলাদেশে না আসতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। রাখাইন রাজ্যের এ সংকটের প্রভাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যাতে বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলমান সংঘাতে নতুন করে আরও দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার এখন বাংলাদেশের নিরাপত্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। রোহিঙ্গাদের জন্য দেওয়া ত্রাণ সহায়তা কমে আসছে। একদিকে রোহিঙ্গা জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও অন্যদিকে ত্রাণ সহায়তা কমে গেলে বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়বে, সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে। সমস্যা সমাধানে সব পক্ষকে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

 

 

আন্তর্জাতিক অর্থায়নের অভাবে ডব্লিউএফপি ১ এপ্রিল থেকে ‘নিড-বেজড’ পদ্ধতিতে তিন ক্যাটাগরিতে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দেয়া শুরু করেছে। রোহিঙ্গা পরিবারগুলো মাথাপিছু ১২ ডলারের বদলে এখন সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ১৭ শতাংশ পরিবার পাচ্ছে ৭ ডলার, ৩৩ শতাংশ পাচ্ছে ১২ ডলার এবং বাকি ৫০ শতাংশ পাচ্ছে ১০ ডলার করে। জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যানড্রুজ রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা কমায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, এ ধরনের পদক্ষেপ মানবিক সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।

 

 

রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের চলাচলের ওপর আরাকান আর্মি নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। রোহিঙ্গাদের জীবিকা অর্জনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এবং চলাচলের ওপর এই বিধিনিষেধের কারণে তাদের জীবন-জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত, জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং অবৈধ ও বৈষম্যমূলক কর আরোপের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি পদ্ধতিগতভাবে ভেঙে দিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নিপীড়নের কারণে সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা রাখাইন ত্যাগে বাধ্য হচ্ছে। আরাকান আর্মি যদি ন্যায়বিচার ও বৈধতা চায়, তাহলে তাদেরকে রাখাইনে বসবাসকারী সব জাতিগত গোষ্ঠীর সঙ্গে সমান আচরণ এবং রোহিঙ্গা নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। আরাকান আর্মির রোহিঙ্গাদের প্রতি মনোভাবের কোনো পরিবর্তনের বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। আরাকান আর্মির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো পক্ষের সম্পর্ক স্থাপন ও যোগাযোগের বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

 

 

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শক্তিশালী চক্র বাংলাদেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে চাপের মুখে রেখেছে। কোস্ট গার্ড ও বিজিবি এসব এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। তবে শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তৎপরতা বৃদ্ধি করে মাদক-সন্ত্রাস মোকাবিলা সম্ভব হবে না। আঞ্চলিক সহযোগিতা, সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নিয়ে এই মাদক নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দ্বন্দ্ব বাড়ছে এবং সাধারণ রোহিঙ্গাদের ওপর এর প্রভাব পড়ছে।

 

 

সম্প্রতি মিয়ানমার সরকার বাংলাদেশ থেকে দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকার মধ্যে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে তারা রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসাবে শনাক্ত করেছে। তালিকায় থাকা ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের পরিচয় যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ৪ হাজার ২৪১ জনকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত বলে জানিয়েছে। তারা রাখাইনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে যাচাই করা এসব রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে কাজ অব্যাহত রাখবে। মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের স্বীকৃত ১৩৫টি জাতিগোষ্ঠীর একটি হিসাবে গণ্য না করে তাদের ‘বাঙালি’ হিসাবে উল্লেখ করে।

 

 

বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা (ইউসিআর) জানায়, রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’ নয়, তারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী এবং একটি স্বতন্ত্র জাতিগোষ্ঠী, যা অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত মিয়ানমার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবেই স্বীকার করত। রোহিঙ্গাদের ওপর ‘বাঙালি’ হিসাবে নিবন্ধনের শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা তাদের জাতিগত পরিচয় অস্বীকারের শামিল। মিয়ানমার সরকার প্রত্যাবাসনের বিষয়ে কিছুটা ইতিবাচক অবস্থান দেখানোর পাশাপাশি ‘রোহিঙ্গা’ পরিচয় অস্বীকার করে আন্তর্জাতিক মহলে তাদের বক্তব্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে।

 

 

মিয়ানমার জানায়, যাচাইকৃত ও রাখাইনের সাবেক বাসিন্দাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ‘কাম অ্যান্ড সি’ সফর, বাংলাদেশে ‘গো অ্যান্ড টক’ সফর, সরেজমিন যাচাই এবং পাইলট প্রকল্পের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রত্যাবাসন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমাধানযোগ্য দ্বিপক্ষীয় বিষয় এবং এ ইস্যুকে আন্তর্জাতিকীকরণে তারা অসন্তুষ্ট। এখানে উল্লেখ্য, মিয়ানমার গত নয় বছরে পরিস্থিতির উন্নয়নে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি এবং ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান কাজ করতে চায় বলে জানা গেছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সমাধান কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

 

 

বাংলাদেশ সরকার গত ২১ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে রোহিঙ্গাদের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় ও পরিচালনার জন্য একটি জাতীয় কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি রোহিঙ্গাদের সম্পর্কিত সব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন, পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রদান করার পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত বিষয় তদারকি করবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে বাংলাদেশ। চীনসহ বিভিন্ন দেশের সহযোগিতায় এ চাপ আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রী চীন সফরের সময় চীনের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়সহ বিভিন্ন বিষয়কে কাজে লাগিয়ে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ভূরাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে কূটনৈতিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

 

 

এই বিপর্যয় মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মিয়ানমারে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন সহজতর করতে এবং সংকট উত্তরণে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের সহায়তা চেয়েছে। তুরস্ক রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জাপান সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সঙ্গে অনুদান সহায়তা প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন বা ১৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে।

 

 

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হলে এবং রাখাইন পুনর্গঠনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ঘৃণা ও বৈষম্য দূর করার উদ্যোগ নেওয়া আবশ্যক। মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন এবং আরাকান আর্মিকে রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান নিপীড়ন বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে কাজ করতে হবে।

 

 

সামনের দিনগুলোতে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় শক্তিশালী রোহিঙ্গা নীতি এবং মিয়ানমার সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে একই সঙ্গে কয়েকটি ক্ষেত্রে কাজ করে যেতে হবে। মানবিক সহায়তার ক্রমহ্রাসমান প্রবণতা মোকাবিলায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের সঙ্গে জড়িত সব অংশীজনের উচিত নতুন দাতা এবং এই সংকট মোকাবিলার উপায় খুঁজে বের করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা। জরুরি ও সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য একটি সংরক্ষিত তহবিল গঠন করে নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি নীতি প্রণয়ন করতে হবে।

 

 

বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য জাতীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশে দলমতনির্বিশেষে সবাইকে এ সমস্যার সমাধানের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাস্তবতার নিরিখে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

 

 

ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন : মিয়ানমার ও রোহিঙ্গাবিষয়ক গবেষক

ট্যাগ:BCSকলামবাংলাদেশ