পদ্মা ব্যারাজ : নদীর বুকে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ

পদ্মা ব্যারাজ : নদীর বুকে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ
কলামবাংলাদেশ

পদ্মা ব্যারাজ : নদীর বুকে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ

১২ জুলাই, ২০২৬

ড. মোহা. হাছানাত আলী [সূত্র : কালের কণ্ঠ, ২৪ মে ২০২৬]

বাংলাদেশের জন্ম যেন নদীর কোল ঘেঁষে। এই ভূখণ্ডের ইতিহাস খুললে দেখা যায়, এখানে প্রথম জনপদ গড়ে উঠেছে নদীর তীরে, প্রথম কৃষির সবুজ ছড়িয়ে পড়েছে নদীর পলিমাটিতে, প্রথম বাণিজ্যের নৌকা ভেসেছে নদীর স্রোতে, আর মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি, গান, কবিতা ও সভ্যতার শিকড়ও গভীরভাবে প্রোথিত হয়েছে নদীকেন্দ্রিক বাস্তবতায়।

 
 
 
 
 
 
 

আজকের বিশ্বে পানি শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি অর্থনীতি, কূটনীতি, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ টিকে থাকার অন্যতম প্রধান নিয়ামক। যে দেশ তার পানিকে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারবে, ভবিষ্যতের পৃথিবীতে সেই দেশই টিকে থাকার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকবে।

 

 

বাংলাদেশের মতো নদীনির্ভর দেশের জন্য তাই পদ্মা ব্যারাজের প্রশ্ন শুধু একটি প্রকল্পের প্রশ্ন নয়, এটি জাতীয় অস্তিত্ব, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং প্রজন্মগত নিরাপত্তার প্রশ্ন।

 

বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ। সাত শতাধিক নদী এই ভূখণ্ডকে জালের মতো ছড়িয়ে রেখেছে। বর্ষাকালে এ দেশ কখনো কখনো অতিরিক্ত পানির ভারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, আবার শুষ্ক মৌসুমে বহু অঞ্চল পানির জন্য হাহাকার করে। এই বৈপরীত্য বাংলাদেশের জল ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।

 

 

 
 

এই পরিবর্তনের পেছনে শুধু প্রকৃতির আচরণ দায়ী নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আন্তর্জাতিক পানি রাজনীতি, উজানের বাঁধ, অপরিকল্পিত ড্রেজিং, নদীশাসনের দুর্বলতা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীন পরিকল্পনা। বিশেষ করে ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ চালুর পর বাংলাদেশের পদ্মা অববাহিকার পানিপ্রবাহে যে পরিবর্তন এসেছে, তা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। ফারাক্কা ব্যারাজের পর বাংলাদেশের বহু নদী শুষ্ক মৌসুমে প্রাণ হারাতে শুরু করে। নদীর নাব্যতা কমে যায়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়, কৃষিতে সংকট দেখা দেয়, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বাড়তে থাকে। এমনকি সুন্দরবনের মতো বিশ্ব ঐতিহ্যও এই পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে মুক্ত নয়। ফলে পদ্মা ব্যারাজের আলোচনা এখন শুধু উন্নয়ন প্রকল্পের আলোচনা নয়, এটি জাতীয় জল নিরাপত্তা ও পরিবেশগত টিকে থাকার প্রশ্ন।

 

 

বাংলাদেশে বৃহৎ ব্যারাজ নির্মাণের ধারণা নতুন নয়। ব্রিটিশ আমল থেকেই নদী নিয়ন্ত্রণ, সেচব্যবস্থা ও বন্যা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা পরিকল্পনা ছিল। পাকিস্তান আমলে কাপ্তাই বাঁধ কিংবা গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি ব্যবস্থাপনার কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ছিল সীমিত ও অঞ্চলভিত্তিক। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় জলকেন্দ্রিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার পানিপ্রবাহের পরিবর্তন। বিশেষজ্ঞরা তখন থেকেই একটি সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা কৌশলের প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে শুরু করেন। সেই ভাবনা থেকেই ধীরে ধীরে পদ্মা ব্যারাজের ধারণা গুরুত্ব পেতে থাকে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময়ে পদ্মা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, সঠিক পরিকল্পনায় ব্যারাজ নির্মাণ করা গেলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ, কৃষি সম্প্রসারণ, নদীর নাব্যতা রক্ষা, নৌপরিবহন সচল রাখা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক জটিলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার অভাবে এই স্বপ্ন বারবার থমকে গেছে।

 

 

পদ্মা ব্যারাজের প্রসঙ্গে ফারাক্কার নাম উচ্চারণ না করলে আলোচনা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ১৯৭৫ সালে ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ চালুর পর গঙ্গার পানির একটি বড় অংশ হুগলি নদীর দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর ফলে বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এই পরিবর্তনের প্রভাব ছিল বহুমাত্রিক। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়, নদীর নাব্যতা কমে যায়, কৃষি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায় এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। বাংলাদেশের রাজনীতি, কূটনীতি এবং জনগণের মনোজগতেও ফারাক্কা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে ওঠে। বিভিন্ন সরকার পানিবণ্টন চুক্তির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলেও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী সমাধান আজও নিশ্চিত হয়নি। এই বাস্তবতায় পদ্মা ব্যারাজকে অনেকে ‘জাতীয় জল নিরাপত্তা কৌশল’ হিসেবে দেখেন, যেখানে নদীর পানি সংরক্ষণ করে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা সম্ভব হতে পারে।

 

 

বাংলাদেশের অর্থনীতির মূলভিত্তি এখনো কৃষি। অথচ দেশের বহু অঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে চাষাবাদ ব্যাহত হয়। উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা বোরো মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। ফলে দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে পানির স্তর। পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে বৃহৎ আকারে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ সম্ভব হতে পারে। রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা এবং আশপাশের অঞ্চলে কৃষি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। শুধু ধান নয়, ফল, ভুট্টা, ডাল, তেলবীজ, সবজি এবং বহুমুখী কৃষিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

 

 

বাংলাদেশের কৃষক আসলে প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে বেঁচে থাকেন। কখনো অতিবৃষ্টি, কখনো খরা, কখনো নদীভাঙন—এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই তাঁর জীবন এগিয়ে চলে। পদ্মা ব্যারাজ সেই দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে কিছুটা স্থিতি ফিরিয়ে আনতে পারে। আঞ্চলিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণ, বাংলাদেশের উন্নয়ন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাকেন্দ্রিক—এমন অভিযোগ নতুন নয়। উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বহু জেলা এখনো কাঙ্ক্ষিত শিল্পায়ন, অবকাঠামো ও কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। পদ্মা ব্যারাজকে কেন্দ্র করে যদি সমন্বিত আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়, তবে এটি দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণসঞ্চার করতে পারে। এতে কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, মৎস্য খাত, নৌবাণিজ্য এবং পানিনির্ভর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিস্তার ঘটতে পারে। নদীপথ সচল হলে পরিবহন ব্যয় কমবে, বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে। ফলে রাজধানীকেন্দ্রিক উন্নয়নের পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

 

 

তবে পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে শুধু সম্ভাবনার কথা বললেই হবে না, এর সঙ্গে গভীর পরিবেশগত প্রশ্নও জড়িত। নদী শুধু পানির প্রবাহ নয়, এটি একটি জীবন্ত পরিবেশব্যবস্থা। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে পরিবর্তন ঘটলে মাছ, পলি, জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ওপর বহুমাত্রিক প্রভাব পড়ে। বিশ্বের বহু দেশে বড় বড় বাঁধ ও ব্যারাজ নির্মাণের ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। মাছের প্রজনন ব্যাহত হয়েছে, পলি জমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বাংলাদেশের মতো নদীনির্ভর দেশে এসব ঝুঁকি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের আগে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশগত সমীক্ষা, নদীকেন্দ্রিক গবেষণা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিশ্লেষণ। উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন তা প্রকৃতির সঙ্গে সংঘাত নয়, সহাবস্থান সৃষ্টি করে।

 

 

বাংলাদেশ আজ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, খরা, ঘূর্ণিঝড় এবং লবণাক্ততা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। এই বাস্তবতায় পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা আগামী দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। পদ্মা ব্যারাজকে অনেকেই জলবায়ু অভিযোজন কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন। কারণ এটি শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ, খরা মোকাবেলা এবং কৃষিকে জলবায়ু সহনশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীর প্রবাহের ধরনও বদলে যাচ্ছে। তাই ব্যারাজের নকশা ও বাস্তবায়নে ভবিষ্যৎ জলবায়ু ঝুঁকিকে অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।

 

 

মানুষের জীবন ও পুনর্বাসনের প্রশ্ন : যেকোনো বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানুষ। উন্নয়নের নামে যদি মানুষ ভূমিহীন হয়, জীবিকা হারায় কিংবা পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত হয়, তবে সেই উন্নয়নের সাফল্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে অতীতে অনেক প্রকল্পে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন যথাযথভাবে হয়নি। ফলে উন্নয়নের সুফল পেয়েছে একটি অংশ, আর ক্ষতির বোঝা বহন করেছে আরেকটি অংশ। পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাই মানবিক পুনর্বাসন নীতি, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা মানুষের জীবনকে মর্যাদাপূর্ণ করে তোলে।

 

 

একসময় পদ্মা সেতু নিয়েও বহু সংশয় ছিল। কিন্তু আজ সেটি বাংলাদেশের সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতীক। পদ্মা ব্যারাজও তেমন একটি সম্ভাবনার নাম হতে পারে, যদি এটি বিজ্ঞানভিত্তিক, পরিবেশসম্মত ও জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। এটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি হতে পারে খাদ্য নিরাপত্তার ভিত্তি, কৃষির পুনর্জাগরণ, নদীপথের পুনরুত্থান, আঞ্চলিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত এবং জাতীয় জলনীতি পুনর্গঠনের সূচনা। তবে ভুল পরিকল্পনা হলে এটি বিপর্যয়ের কারণও হতে পারে। তাই আবেগ নয়, প্রয়োজন বাস্তবতা, গবেষণা, স্বচ্ছতা ও দূরদর্শিতা।

 

 

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নদীকেন্দ্রিক। নদীকে ধ্বংস করে এ দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়, বরং নদীকে বাঁচিয়েই উন্নয়নের নতুন পথ নির্মাণ করতে হবে। পদ্মার জলে শুধু স্রোত নেই, সেখানে আছে বাংলার কৃষকের ঘাম, জেলের স্বপ্ন, ভাঙনপীড়িত মানুষের কান্না, ইতিহাসের স্মৃতি এবং একটি জাতির ভবিষ্যতের আহবান। আজকের বাংলাদেশ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা, অন্যদিকে উন্নয়নের অদম্য আকাঙ্ক্ষা। এই দুই বাস্তবতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে, কিভাবে নদীকে ধ্বংস না করে নদীকেই উন্নয়নের অংশীদার করা যায়। হয়তো কোনো এক নতুন ভোরে পদ্মার বুক চিরে সূর্যের আলো উঠবে, আর বাংলাদেশ উপলব্ধি করবে—নদীকে রক্ষা করা মানেই ভবিষ্যেক রক্ষা করা। আর সেই ভবিষ্যতের নামই হতে পারে পদ্মা ব্যারাজ।

 

লেখক : উপাচার্য, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

 

ট্যাগ:BCSকলামবাংলাদেশ