কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

ফ্যাসিবাদ না ফেরানোর অঙ্গীকার

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দেশকে সর্বনাশের প্রান্তসীমায় নিয়ে গেছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা আবারো একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছি। প্রফেসর ইউনূসের আহ্বান - আসুন শতবর্ষের সংগ্রাম ও বহুকষ্টে অর্জিত স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দিতে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি। ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী এবং লিঙ্গপরিচয় নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাই শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পথে। ড. আবদুল লতিফ মাসুম [প্রকাশ : নয়াদিগন্ত, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫]

কাঠামোগত পরিবর্তন ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা প্রয়োজন

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক দৃষ্টিভঙ্গি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ নিয়ে লিখেছেন ফারহানা হাফিজ [প্রকাশ: প্রথম আলো, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫]

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ওসমানী কেন অনুপস্থিত

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পশ্চাৎপসরণ ও পরে আত্মসমর্পণের পর ভারতীয় বাহিনী বিভিন্ন সেনানিবাস ও কল-কারখানা লুটের যে মহোৎসব চালায়, কর্নেল ওসমানী ঢাকায় উপস্থিত থাকলে তা সম্ভব হতো না। ওয়ালিউল হক [প্রকাশ : নয়াদিগন্ত, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫]

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল জেনোসাইড পরিকল্পনার কৌশলগত অংশ

বুদ্ধিজীবী গোষ্ঠীকে কেন বারবার টার্গেট করা হয়, তার কারণ বিশ্লেষণ করা ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে এর প্রাসঙ্গিকতা নির্ণয় করা ভীষণ জরুরি। এটা ভবিষ্যতে একই ধরনের বুদ্ধিজীবী নির্মূলকাঠামো রোধে আগাম সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড কীভাবে জেনোসাইড পরিকল্পনারই কৌশলগত অংশ, তা নিয়ে লিখেছেন উম্মে ওয়ারা উম্মে ওয়ারা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও গবেষক [প্রকাশ : প্রথম আলো, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫]