সমুদ্রের গভীরে ভবিষ্যৎ: ব্লু ইকোনমি ও ইন্দো-প্যাসিফিক শক্তির ভারসাম্য
সুলতান মাহমুদ সরকার [সূত্র : Share Biz News , ২৯ অক্টোবর ২০২৫]

একবিংশ শতাব্দীর নতুন অর্থনৈতিক বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি, কিংবা মহাকাশ—সব ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা এখন শীর্ষে। কিন্তু এই প্রতিযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ‘ব্লু ইকোনমি’ বা নীল অর্থনীতি, যা বিশ্বের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির নতুন সীমান্ত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সমুদ্র আজ শুধু জলরাশির বিশালতা নয়; এটি হচ্ছে মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার আধার। পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশজুড়ে যে সমুদ্র বিস্তৃত, তার তলদেশে লুকিয়ে আছে অপরিমেয় সম্পদ গ্যাস, তেল, খনিজ, জীববৈচিত্র্য, এমনকি নবায়নযোগ্য শক্তির বিপুল সম্ভাবনা। তাই বলা হয়, একবিংশ শতাব্দী হবে ওশান সেঞ্চুরি, যেখানে ব্লু ইকোনমিই হবে বিশ্ব অর্থনীতির পরবর্তী চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশসহ উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য সুনীল অর্থনীতি এখন কেবল স্বপ্ন নয়, বাস্তব সুযোগ। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এই সম্ভাবনাকে আরও গভীর করেছে। বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল। ২০১২ সালে মিয়ানমার ও ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশের সামুদ্রিক এলাকা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার। এই বিশাল জলভাগে রয়েছে প্রায় ৪৭৫ প্রজাতির মাছ, ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি, ৩৩ প্রজাতির ক্রাস্টেশিয়ান এবং তেল-গ্যাসসহ নানা খনিজ সম্পদ। বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতি যদি সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা যায়, তবে এটি দেশের জিডিপির উল্লেখযোগ্য অংশ যোগ করতে পারে।
জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলসের (এসডিজি) ১৪ নম্বর লক্ষ্য, ‘লাইফ বেলো ওয়াটার’, মূলত সমুদ্র ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়। সুনীল অর্থনীতি এই লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম হাতিয়ার। এটি শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিষয় নয়, বরং পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং টেকসই উন্নয়নের সমন্বিত মডেল। উদাহরণস্বরূপ সামুদ্রিক জ্বালানি, যেমন ওয়েভ এনার্জি ও অফশোর উইন্ড টারবাইন, মাছ চাষ, লবণ উৎপাদন, সামুদ্রিক পর্যটন এবং কার্বন শোষণ—all combine to create a sustainable ocean-based economy.
তবে বাস্তবতা হলো, ব্লু ইকোনমি এখন কেবল অর্থনৈতিক ধারণা নয়, বরং এটি একটি রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও কৌশলগত প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এর প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্ট। এই অঞ্চলটি বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ জিডিপি এবং দুই-তৃতীয়াংশ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে। সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশই এই অঞ্চল দিয়ে সম্পন্ন হয়। দক্ষিণ চীন সাগর, মালাক্কা প্রণালি, আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর—সবই এখন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু।
চীন তার ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর অংশ হিসেবে ‘মেরিটাইম সিল্ক রোড’ চালু করেছে, যার মাধ্যমে তারা এশিয়া-আফ্রিকা-ইউরোপ জুড়ে এক সামুদ্রিক প্রভাববলয় গড়ে তুলছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ‘কোয়াড’ নামে একটি জোট গঠন করেছে, যার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবিলা করা। এছাড়া অটকটঝ চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি বিনিময় করছে, যা সরাসরি সামুদ্রিক শক্তির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলছে। ফলে, ব্লু ইকোনমি এখন কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং সামরিক শক্তির প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রেও পরিণত হয়েছে।
এই ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ছোট উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি জটিল। তারা একদিকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন চায়, অন্যদিকে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। বাংলাদেশের অবস্থান এখানে অত্যন্ত কৌশলগত। বঙ্গোপসাগর শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং ভারতের পূর্ব উপকূল, মিয়ানমারের পশ্চিম উপকূল ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবেশদ্বার। এই অঞ্চলকে অনেকেই বলেন, ‘The Gateway to the Indo-Pacific.’ ফলে বাংলাদেশ এখন সামুদ্রিক রাজনীতির নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে।
বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে ‘ব্লু ইকোনমি সেল’ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং নীল অর্থনীতি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত গবেষণা অবকাঠামো, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধানমূলক ড্রিলিং, স্যাটেলাইট সার্ভেইং, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য গবেষণা বা নবায়নযোগ্য সামুদ্রিক শক্তি উৎপাদনের মতো ক্ষেত্রে দেশীয় দক্ষতা গড়ে ওঠেনি। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এ খাত বাস্তব সাফল্য পেতে পারবে না।
তাছাড়া সমুদ্রের পরিবেশগত চ্যালেঞ্জও ভয়াবহ। প্লাস্টিক দূষণ, সামুদ্রিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, প্রবাল প্রাচীরের ধ্বংস এবং অতিরিক্ত মাছ ধরা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যকে বিপন্ন করছে। বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সুনীল অর্থনীতির সফলতা নির্ভর করবে—কতটা টেকসইভাবে আমরা এই সম্পদ ব্যবস্থাপনা করতে পারি তার ওপর।
সুনীল অর্থনীতি শুধু মৎস্য বা খনিজ আহরণ নয়; এটি একটি Blue Governance Model। এখানে অর্থনীতি, পরিবেশ, বিজ্ঞান, কূটনীতি ও সামরিক কৌশল সবকিছু একত্রে কাজ করে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন, বিশেষত ‘UNCLOS 1982’-এর আওতায় প্রতিটি দেশের ২০০ নটিক্যাল মাইল একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্ধারিত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এই সীমারেখা অনেক সময় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, বিশেষ করে যখন বড় শক্তিগুলো সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে।
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এখন ‘নতুন ঠান্ডা যুদ্ধ’ চলছে। কেউ একে Oceanic Cold War বলছেন। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কৃত্রিম দ্বীপ ও সামরিক ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের সেভেন্থ ফ্লিট, ভারতের আন্দামান নৌবাহিনী, জাপান-অস্ট্রেলিয়ার যৌথ মহড়া—সব মিলিয়ে সমুদ্র এখন শক্তির প্রদর্শনীর ক্ষেত্র। এই প্রতিযোগিতা অর্থনৈতিক সহযোগিতার পরিবেশকে জটিল করে তুলছে।
তবে আশার বিষয় হলো, সুনীল অর্থনীতি কেবল শক্তি প্রতিযোগিতার গল্প নয়, এটি সহযোগিতারও ক্ষেত্র। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ASEAN, BIMSTEC ও IORA (Indian Ocean Rim Association) এ বিষয়ে নীতি প্রণয়ন করছে। বাংলাদেশও IORA-র সক্রিয় সদস্য এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতি উন্নয়নের চেষ্টা করছে।
বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের জাতীয় কৌশলগত স্বার্থ তিনটি স্তরে দেখা যায়, সুনীল অর্থনীতি অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত। অর্থনৈতিক স্বার্থ হলো টেকসই সম্পদ আহরণ ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি; নিরাপত্তা স্বার্থ হলো সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা; এবং পরিবেশগত স্বার্থ হলো উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ। এই তিনটি স্তরের ভারসাম্য রক্ষা করেই বাংলাদেশকে এগোতে হবে। বিশেষ করে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি উপকূলীয় জনজীবনে যে প্রভাব ফেলছে, সেটি সুনীল অর্থনীতির পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য।
ইন্দো-প্যাসিফিক কূটনীতিতে এখন Blue Diplomacy একটি নতুন পরিভাষা। এটি এমন এক কূটনীতি, যেখানে সামুদ্রিক সম্পদ, নৌ-নিরাপত্তা ও বাণিজ্য একসঙ্গে কৌশলগত আলোচনার অংশ হয়। বাংলাদেশ এই Blue Diplomacy-এর মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে, যেমন ভারত ও চীনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে নিরপেক্ষভাবে সামলানো, ASEAN দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ করা এবং উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে প্রযুক্তি স্থানান্তর নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশের ‘মেরিন স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ ধারণা বাস্তবায়িত হলে এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নীল অর্থনৈতিক করিডোর হতে পারে। এই অঞ্চলে সমুদ্রপথে বাণিজ্য, সামুদ্রিক পর্যটন, অফশোর শক্তি উৎপাদন, এবং ফিশারিজ হাব তৈরি করে অসংখ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। সরকার ইতোমধ্যে কক্সবাজার, মহেশখালী, পায়রা ও টেকনাফ উপকূলে ব্লু ইকোনমি-সংক্রান্ত অবকাঠামো উন্নয়নে আগ্রহ দেখিয়েছে।
একইসঙ্গে সামুদ্রিক শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রেও বিপ্লব দরকার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি ও বিএনএসডব্লিউ’কে (Bangladesh Navys Hydrographic Wing) কেন্দ্র করে একটি ‘National Oceanographic Research Center’ গড়ে তোলা যেতে পারে, যা ব্লু ইকোনমির জ্ঞানভিত্তিক কাঠামো তৈরি করবে।
বাংলাদেশের উচিত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া। সামুদ্রিক প্রতিযোগিতার মাঝে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নই হবে শ্রেষ্ঠ কৌশল। নীল অর্থনীতি যেন নতুন ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
ভবিষ্যৎ বিশ্বে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নির্ভর করবে সমুদ্রের ওপর। ‘ওশান এনার্জি’ হবে পরবর্তী বিপ্লব। সমুদ্রের ঢেউ, জোয়ার-ভাটা, বাতাস, এমনকি শৈবাল থেকেও শক্তি উৎপাদনের প্রযুক্তি এখন বাস্তব। সামুদ্রিক কৃষি, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, ক্রুজ পর্যটন, উপকূলীয় অর্থনীতি—সব মিলিয়ে এক বিশাল কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষের জীবিকা সরাসরি সমুদ্রনির্ভর। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই খাত প্রায় ৪৫ লাখ মানুষের জীবনধারণের সঙ্গে যুক্ত।
আগামী দশকে ব্লু ইকোনমি বিশ্ব রাজনীতির ক্ষমতার মানচিত্র বদলে দিতে পারে। যে দেশ তার সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষা ও ব্যবহারে দক্ষ হবে, সেই দেশই নেতৃত্ব দেবে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক বিশ্বে। এজন্য প্রয়োজন ‘Maritime Vision 2050’, যেখানে বিজ্ঞান, কূটনীতি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতি একসঙ্গে কাজ করবে।
বাংলাদেশের উচিত এখনই নীল অর্থনীতিকে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার দেয়া। এক্ষেত্রে সামুদ্রিক শিক্ষা, মেরিন বায়োটেকনোলজি, ডিপ-সি মাইনিং, মেরিন ট্যুরিজম ও নবায়নযোগ্য শক্তি খাতকে আলাদা গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি সমুদ্র আইন বিশেষজ্ঞ, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ ও কূটনীতিকদের একটি সমন্বিত টাস্কফোর্স গঠন প্রয়োজন।
ব্লু ইকোনমি হচ্ছে ভবিষ্যতের ‘নীল সোনা’। এই সোনাকে উত্তোলনের জন্য দরকার জ্ঞান, দক্ষতা ও কৌশলগত দূরদৃষ্টি। ইন্দো-প্যাসিফিক বাস্তবতায় এটি শুধু অর্থনৈতিক সুযোগ নয়, বরং টিকে থাকার সংগ্রামও। তাই এখন সময় এসেছে, সমুদ্রের দিকে তাকানোর—লোভের চোখে নয়, দূরদর্শিতার দৃষ্টিতে।
আগামী প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ নীল বিশ্বের ভিত্তি গড়ে তোলা এখনই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আর এটাই হবে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক স্বাধীনতার নীল অধ্যায়, যেখানে সমুদ্র হবে সম্ভাবনার প্রতীক, আর ব্লু ইকোনমি হবে ভবিষ্যতের প্রাণশক্তি।
শিক্ষক, গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ