কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপরেখা

[প্রকাশ : দেশ রূপান্তর, ০৪ এপ্রিল ২০২৬]

সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপরেখা

রাজনৈতিক অভিযাত্রার সূচনা কেবল ক্ষমতার রদবদল নয়, বরং একটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের নতুন অঙ্গীকার। বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকারের কাঁধে যে বিশাল দায়িত্বের পাহাড় জমা হয়েছে, তার সফল বাস্তবায়ন নির্ধারণ করবে আগামী দিনে দেশের গতিপথ। রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন অধ্যায়ে, জননিরাপত্তা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাই অগ্রাধিকার পাওয়া দরকার। কোনো দেশের উন্নয়নের প্রাথমিক শর্ত হলো, স্থিতিশীল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ। নতুন সরকারকে শুরুতে কঠোর হস্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। যখন নাগরিকরা নির্ভয়ে পথ চলতে পারবেন এবং বিচারহীনতার
সংস্কৃতি দূর হবে, তখনই কেবল সাধারণ মানুষের মনে সরকারের প্রতি গভীর আস্থা তৈরি হবে।

 

 

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পর, গুরুত্বের সঙ্গে মনোনিবেশ করতে হবে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে। একটি গতিশীল অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ হলো, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ। বিগত বছরে বিনিয়োগে যে মন্থরতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে কর্মসংস্থানের বাজার স্থবির হবে। সরকারকে এমন একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থাকবে না এবং ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সব ধরনের উদ্যোক্তা উৎসাহিত বোধ করবেন। অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগকারীদের যেমন সুরক্ষা দিতে হবে, তেমনি  বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণ করতে বৈশি^ক মানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে বিনিয়োগ কেবল শিল্পায়ন ঘটায় না, তা প্রযুক্তি এবং আধুনিক কর্মপদ্ধতির সংমিশ্রণ ঘটায়। তখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রকে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

 

 


বিগত সরকারের আমলে আমরা দেখেছি,  বড় বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও সেগুলো অনেক সময় কেবল প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।  অথবা অতিরিক্ত খরচ ও দীর্ঘসূত্রতার কবলে পড়েছে। নতুন সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত, টেকসই এবং কার্যকর অবকাঠামো উন্নয়ন। অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিতে হবে। শক্ত হাতে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে, উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে না এবং অগ্রগতির গতি ধীর হয়ে পড়বে। এর ফলে সমাজে পুনরায় অস্থিরতা দানা বাঁধতে পারে।

 

 

একটি জাতির বড় সম্পদ তার যুবশক্তি আর বড় অভিশাপ হলো বেকারত্ব। সরকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বেকারত্ব দূরীকরণে মনোযোগী হতে হবে। প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষিত তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও, সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। শিক্ষা ব্যবস্থাকে কর্মমুখী করা এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানোর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবেÑ যাতে দেশের ভেতরে এবং বাইরে তারা মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান খুঁজে পায়। তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হলে,  অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে এবং জাতীয় উৎপাদনে তাদের অবদান যুক্ত হবে।

 

 

এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হলেও, এর সুফল হবে সুদূরপ্রসারী। মনে রাখতে হবে, এই সরকার গঠনই শেষ কথা নয়; বরং এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ, একটি গণতান্ত্রিক সরকার কতটা কার্যকর হতে পারে তা প্রমাণ করা। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে সংকুচিত করেছে। নতুন সরকারকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। টাকার মান ধরে রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করা বড় চ্যালেঞ্জ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে ব্যাংক খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি। খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি বন্ধ করতে না পারলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভিত নড়বড়ে হবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

 

 

 


বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ এবং জিডিপিতে এ খাতের অবদান অপরিসীম। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কৃষি উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়ছে। তা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির উদ্ভাবন প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিল্পায়নের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো খাতের ওপর নির্ভর না করে চামড়া, ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বৈচিত্র্যকরণ জরুরি। রপ্তানি আয় বাড়াতে নতুন নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করা সময়ের দাবি। বিশ^বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে,  পণ্যের মান উন্নয়ন এবং উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনার বিকল্প নেই। প্রকৃত ‘স্বচ্ছ’ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ই-গভর্নেন্স বা ইলেকট্রনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু করলে, সরকারি সেবা পেতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং দুর্নীতির সুযোগ হ্রাস পাবে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করে, দলীয়করণের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

 

 

একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা অপরিহার্য।  যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি না পেলে, কোনো উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে প্রতিটি কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো এবং তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা নতুন সরকারের গুরুদায়িত্ব। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত চিকিৎসাসেবার আওতায় আনতে হবে। অন্যদিকে শিক্ষা ক্ষেত্রে গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত হয়। নারী ক্ষমতায়ন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

 

 

কারণ অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের মাধ্যমেই প্রকৃত গণতন্ত্রের স্বাদ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ খাতের লোকসান কমিয়ে আনা সরকারের জন্য একটি বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ। আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান এবং নবায়নযোগ্য শক্তি প্রসারে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। কুইক রেন্টাল বা এই জাতীয় ব্যয়বহুল চুক্তির পরিবর্তে, টেকসই জ¦ালানি ব্যবস্থার দিকে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন। এ ছাড়া পরিবেশ সুরক্ষায় নদীদূষণ রোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে জানমালের ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা যায়। বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। জনগণের আইনি সহায়তা পাওয়ার পথ সুগম করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত বিচার পায়। পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো বিতর্কিত আইনগুলোর সংস্কার বা বাতিল করে,  বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে হবে। একটি রাষ্ট্রে যখন সাংবাদিক এবং বুদ্ধিজীবী স্বাধীনভাবে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন, তখনই সরকার তার ভুলগুলো সংশোধন করে সঠিক পথে চলার সুযোগ পায়।


আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনা করে,  ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে হবে। বৃহৎ শক্তিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি,  প্রতিবেশীর সঙ্গে অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হবে। রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে, আন্তর্জাতিক মহলের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে। শক্তিশালী কূটনীতি কেবল জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, বরং আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। দেশের শিল্পায়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে,  চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুবিধা কাজে লাগাতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে ‘ফ্রিল্যান্সিং’ এবং ‘সফটওয়্যার এক্সপোর্ট’ সেক্টরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বড় ধরনের প্রণোদনা দেওয়া উচিত। হাইটেক পার্কগুলোর পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করে তরুণদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা সায়েন্স এবং রোবটিক্স শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করতে হবে। যখন দেশের মেধাবী তরুণরা দেশে বিশ^মানের কাজের সুযোগ পাবে, তখনই ‘মেধা পাচার’ রোধ করা সম্ভব হবে।

 

 

 

এটি সরাসরি দেশের জিডিপি বৃদ্ধিতে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে। ব্যাংকিং এবং আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা দূর করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পঋণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা যদি স্বল্প সুদে ঋণ পান, তবে গ্রামে-গঞ্জেও ক্ষুদ্রশিল্প গড়ে উঠবে, যা শহরের ওপর জনসংখ্যা চাপ কমিয়ে দেবে। এ ছাড়া পুঁজিবাজার বা শেয়ারবাজারকে স্বচ্ছ ও আস্থাশীল করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সেখানে বিনিয়োগ করতে সাহস পায়। সামাজিক সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় সহাবস্থান নিশ্চিত করা একটি আধুনিক রাষ্ট্রের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। উগ্রবাদ বা মৌলবাদ যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও প্রগতিশীল শিক্ষা পদ্ধতির প্রসার ঘটাতে হবে। খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজের সুযোগ বাড়িয়ে,  তরুণদের মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে।

 

 


সুশৃঙ্খল এবং মানবিক সমাজ যখন উন্নয়নের সারথি হয়, তখনই সেই উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী রূপ পায়। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গের সংস্কার ও আধুনিকায়নের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে, বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াবে। নতুন সরকারের জন্য এটি শুধু একটি মেয়াদ পার করার বিষয় নয়, বরং আগামীর শক্তিশালী বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সুযোগ। জনতুষ্টির সস্তা রাজনীতির বদলে, বাস্তবমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণই হবে সরকারের সাফল্যের চাবিকাঠি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার এই রূপকল্প যদি সফল হয়, তবেই দেশের ১৬ কোটি মানুষ এক নতুন ভোরের দেখা পাবে। সর্বোপরি, সুশাসন ও উন্নয়নের এই পথচলায় সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

 

 

 

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে, যাতে ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ের মানুষ উন্নয়নের অংশীদার হতে পারে। ভবিষ্যতে ইতিহাস যেন সাক্ষ্য দেয়, বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন এবং সুপরিকল্পিত উন্নয়ন বিএনপি সরকারের হাতে এসেছে। বিশেষ করে,  প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে যদি এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হয় তবে তিনি জনগণের কাছে একজন সৎ, নির্ভরযোগ্য এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নন্দিত হবেন। ব্যক্তিগত সততা এবং কাজের স্বচ্ছতা যখন উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হবে, তখন জনগণ এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য আত্মিক বন্ধন তৈরি হবে। এই গণ-আস্থা এবং আভিজাত্যপূর্ণ নেতৃত্ব হবে সরকারের রক্ষাকবচ, যা অশুভ শক্তির সব চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়ে দেশকে কাক্সিক্ষত সমৃদ্ধির বন্দরে পৌঁছে দেবে। জনগণের প্রত্যাশা এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি যখন একসূত্রে গাঁথা হবে, তখনই লেখা হবে নতুন বাংলাদেশের ইতিহাস।