কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

সবার আগে বাংলাদেশ

বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য হোক মো. শেখাবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত সচিব ও কলাম লেখক [সূত্র : প্রতিদিনের বাংলাদেশ, ২ এপ্রিল ২০২৬]

সবার আগে বাংলাদেশ

প্রভাতের সূর্যের আলো দেখে যেমন বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে, তেমনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মযজ্ঞ দেখে অন্তত এটুকু বলা যায় যে, তিনি শুভ সূচনা করেছেন। যা জাতির মাঝে এক আশার ব্যঞ্জনা তৈরি করেছে। মাত্র এক মাসের মধ্যে তিনি তার নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে আন্তরিক ও নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তার উদ্যোগগুলো দেখলে মনে হয়, এ যেন জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার এক সুস্পষ্ট প্রতিফলন। গরিব-অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এক নিরন্তর প্রচেষ্টা। কেননা তার মুখ থেকেই প্রথম উচ্চারিত হয়েছে ‘সাবার আগে বাংলাদেশ’। অর্থাৎ ভূখণ্ডভিত্তিক বাংলাদেশের আপামর মানুষের স্বার্থ ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণ। আর এ কারণেই সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, অর্থনীতিকে সচল করা, প্রশাসন-শিক্ষা-স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন, আইনশৃঙ্খলা-নিরাপত্তা বিধানসহ রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে এক অভাবনীয় আলোর দ্যুতি ছড়াতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। 

 

 

বস্তুত সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। এবারই প্রথম ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় সেবকদের সম্মানী প্রদানসহ প্রত্যেক এমপির নির্বাচনি এলাকার অসহায় গরিবদের জন্য শাড়ি, থ্রিপিস বিতরণ করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক যাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। অচিরেই কৃষক কার্ড চালুসহ কৃষকের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সচিবালয়ে নিজের নিয়মিত উপস্থিতিসহ মাঝে মাঝে অকস্মাৎ মন্ত্রণালয়/বিভাগ পরিদর্শন করে সবাইকে কাজের প্রতি দায়িত্বশীল ও যত্নবান হওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন, বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ও জনসেবা নিশ্চিতকরণের নির্দেশনা দিয়েছেন। এ ছাড়া ভিভিআইপি প্রোটকল হ্রাস ও বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করেছেন। এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধের মধ্যেও অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাজার মনিটরিংসহ নির্বিঘ্নে জ্বালানি তেল সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। যে কারণে এবার রমজান ও ঈদে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল পর্যায়ে ছিল। বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ করে একশ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছেন। রুগ্‌ণ ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু ও গার্মেন্টসসহ অন্যান্য শিল্প-কলকারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের বেতন-বোনাস প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়নে পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারি সিস্টেমে ভর্তি বাতিল করেছেন। বিদেশে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণের জন্য দশ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টির নিশ্চয়তাসহ প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

 

আইন শৃঙ্খলা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ঢাকা সিটিসহ অন্যান্য মেট্রোপলিটন সিটিতে ট্রাফিক জ্যাম নিরসনকল্পে দ্রুত ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ নিশ্চিতে ই-হেল্থ কার্ড ও চিকিৎসাকেন্দ্র চালুসহ এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যার ৮০ শতাংশ হবে নারী। রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ রক্ষায় এবারের রমজানে ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করাসহ, রাস্তার ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলেছেন। ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ও ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। 

 

 

 

প্রায় ১৭ বছরের হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয় নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই উল্লিখিত ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। নানা ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নে তার দৃঢ় অঙ্গীকার সকলের কাছে প্রশংসা অর্জন করেছে। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় ছিল এই এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়নি। পক্ষান্তরে ১১টি সিটি করপোরেশন ও ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ প্রদান করায় কিছুটা নেতিবাচক সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও এ কথা বলা যায়, এই প্রতিষ্ঠানগুলো স্বৈরাচারী আমলে এমনভাবে দলীয়করণ ও লুটপাটের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল যে, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের পূর্বে এ ধরনের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প সরকারের হাতে নেই। তা ছাড়া এসব স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত ফ্যাসিস্ট আমলের প্রণীত ও প্রবর্তিত আইনের একটা ন্যায়সঙ্গত সংস্কার সাধন ছাড়া এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভবপর না হওয়ায় আপাতত দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হলে অতি অবশ্যই এই প্রশাসকগণ তখন আর দায়িত্ব পালন করবেন না। বরং বিরোধী দলগুলোর নেতারা এ ক্ষেত্রে নেতিবাচক সমালোচনা না করে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে আরও শক্তিশালী, দুর্নীতিমুক্ত ও জনসেবার উপযোগী করে গড়ে তোলা যায় সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারেন। বিএনপির মতো একটা ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ দলের অজস্র নেতাকর্মী মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বৈরাচার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে অস্বাভাবিক দমন-পীড়ন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গুম-খুন থেকে শুরু করে জেল-জুলুম, হুলিয়া ছিল তাদের নিত্যসঙ্গী। লাখ লাখ মামলার আসামি হয়ে আদালতের বারান্দায় দৌড়াতে দৌড়াতে তাদের আর্থিক, মানসিক, শারীরিক, সামাজিক ও পারিবারিকভাবে যে অবর্ণনীয় ক্ষতি হয়েছে তা অপরিসীম, যা কখনোই ক্ষতিপূরণ দিয়ে পূরণ করা যাবে না। 

 

 

বলা বাহুল্য, সরকারপ্রধান তারেক রহমান অতি অনাড়ম্বরভাবে ও আন্তরিকতার সঙ্গে দিনরাত পরিশ্রম করে ফ্যাসিবোদের জাঁতাকলে পিষ্ট একটি দেশকে তার স্বাভাবিক গতিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাকে মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে ও উন্নয়ন-উৎপাদনের ধারায় নিয়ে যেতে তার অন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। তবে তার কিছু উদ্যোগের বিষয়ে বিনয়ের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করায় এ লেখার অবতারণা।

 

 

প্রথমত, বর্তমান বাস্তবতায় খাল খননের চেয়ে নদী খনন অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন। বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তন হওয়ায় ও বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খালগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানি ধারণের ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়ছে। যদিও গ্রামাঞ্চলে খাল খননের ফলে সামাজিকভাবে কাজের পরিধি বেড়ে আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি কিছুটা চাঙ্গা হয়েছে ঠিকই কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে খালগুলোতে আর সেভাবে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তার চেয়ে বরং বাংলাদেশের নদীগুলোর উজানে ভারতের ফারাক্কা বাঁধসহ অন্যান্য বাঁধের কারণে পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া নদীগুলো গভীরভাবে খনন করলে সারা বছর পানি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ফলে নদীগুলোর নাব্যতা ফিরে আসবে এবং কৃষিকাজের জন্য সংরক্ষিত এই পানি সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যাবে।

 

 

দ্বিতীয়ত, পরিবারভিত্তিক ফ্যামিলি কার্ড চালু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি অসাধারণ উদ্যোগ বটে। তবে সামাজিক সুরক্ষায় আরও যে সমস্ত কর্মসূচি যেমন- বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ আরও অন্যান্য যেসব ভাতার প্রচলন আছে সেগুলোকে সমন্বিত আকারে এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতাভুক্ত করে ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষ অনেক বেশি উপকৃত হবে। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তার এই খাতগুলো দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। 

 

 

তৃতীয়ত, মন্ত্রী-এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার অঙ্গীকারে জনগণের মধ্যে তেমন উচ্ছ্বাস নেই। বরং মন্ত্রী-এমপিরা সরকার প্রদত্ত বেতন-ভাতা, সরকারি প্রটোকল, নিয়মানুযায়ী শুল্কমুক্ত গাড়ি, সরকারি প্লটসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করুক বা না করুক, এতে কারও কোনো আপত্তি নেই, এমনকি জনগণেরও কিছু যায় আসে না। তাদের ক্ষেত্রে কেবল একটাই অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন প্রয়োজন, তারা যেন কোনোভাবেই দুর্নীতি না করে এবং সামরিক-বেসামরিক আমলাদেরও দুর্নীতি করার সুযোগ না দেয়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী ও দলীয় লোকদের অবৈধ সুযোগ প্রদান ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থসম্পদ বিদেশে পাচার না করে। যে দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন ও বিদেশে অর্থ পাচারের চিত্র আমরা ফ্যাসিস্ট আমলে প্রত্যক্ষ করেছি তা আর আমরা দেখতে চাই না। 

 

 

পরিশেষে বলতে চাই, রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা এক বিশাল কর্মযজ্ঞ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা। এখানে আছে নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জ। বিচক্ষণতার সঙ্গে এই সংকট উত্তরণ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সম্মুখপানে ও প্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়াই হচ্ছে উত্তম কাজ। কোনো ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অনুরাগ নয়, আপনার বিবেচনায় থাকবে শুধু বাংলাদেশের আপামর জনগণ। দুর্নীতিমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়াই হবে আপনার মুখ্য উদ্দেশ্য।

 

 

 

সবার আগে বাংলাদেশ- এই তাৎপর্যময় ও দর্শনভিত্তিক স্লোগান দিয়েই তো আপনি শুরু করেছেন। আপনার গৃহীত পদক্ষেপগুলো দেখলেই তো সবার কাছে অন্তত তাই মনে হয়। বাংলাদেশের মানুষ আপনার কাছে এমন এক বাংলাদেশ চায়, যে বাংলাদেশে প্রকৃত অংশীদারত্বমূলক, সহিষ্ণু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামো প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক ন্যায়বিচার, নারীর অধিকার ও সুযোগের সমতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। প্রতিহিংসার রাজনীতির বদলে সব মত ও পথের সমন্বয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। যেখানে সম্ভাব্য উচ্চতম প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম একটি দ্রুত বিকাশশীল অর্থনীতির মাধ্যমে দারিদ্র্যের লজ্জা ঘুচিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করবে। যেখানে স্বৈরাচারের সৃষ্ট রূপকল্প ও ভিশনের নামে অথবা দিনবদলের সনদের নামে কোনো দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়নের পুনরাবৃত্তি আর ঘটবে না মর্মে একটা স্থায়ী রাজনৈতিক বন্দোবস্তের দিকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে সবার বিশ্বাস। 

 

মো. শেখাবুর রহমান

অবসরপ্রাপ্ত সচিব ও কলাম লেখক