কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

মিয়ানমারে 'বিতর্কিত' নির্বাচন, চূড়ান্ত ফলাফল ফেব্রুয়ারিতে

আপডেট: বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

মিয়ানমারে 'বিতর্কিত' নির্বাচন, চূড়ান্ত ফলাফল ফেব্রুয়ারিতে

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ গতকাল রবিবার সম্পন্ন হয়েছে। আরও দুই দফা ভোটগ্রহণের পর ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

 

রবিবার মিয়ানমারের ৩৩০টি শহরের মধ্যে ১০২টিতে ভোটগ্রহণ হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে আগামী ১১ ও ২৫ জানুয়ারি।

 

 

তবে সামরিক অভ্যুত্থানের প্রায় পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনি প্রক্রিয়াটি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে, নেতাদের জেলে পাঠানো হয়েছে। 

 

 

একই সঙ্গে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে দেশের অর্ধেক মানুষ ভোট দিতে পারছেন না। জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলমান সংঘর্ষে ৩৬ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

 

 

পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সমর্থনে জান্তা সরকার ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর চেষ্টা করছে। জান্তা সরকার এটি তাদের ক্ষমতার বৈধতা প্রদানের উপায় হিসেবেও ব্যবহার করবে।

 

 

গতকাল দেশটির বর্তমান শাসক ও জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং বলেছেন,'আমরা নিশ্চিত করছি যেন এটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। এই নির্বাচন আয়োজন করছে সামরিক বাহিনী, আমরা আমাদের নাম কলঙ্কিত হতে দিতে পারি না।' তবে অতীতের জনপ্রিয় বিরোধীদলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং ভোটারদের ওপর সেনাদের হুমকি এ প্রচেষ্টাকে তীব্র বিতর্কের মুখে ফেলেছে।

 

 

দেশটিতে জাতীয় ও আঞ্চলিক সংসদে আসন পাওয়ার জন্য ৫৭টি দলের সাড়ে চার হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কিন্তু দেশজুড়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সক্ষমতা রয়েছে মাত্র ছয়টি দলের। সবচেয়ে শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি। আবার এই দলকে সামরিক বাহিনীর সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। 

সূত্র: ইউরো নিউজ