কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

কৃষিতেই দেশের পরিচয়

ড. রাধেশ্যাম সরকার [প্রকাশ : দেশ রূপান্তর, ২০ নভেম্বর ২০২৫]

কৃষিতেই দেশের পরিচয়

 

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, নদীনির্ভর জীবন এবং দীর্ঘ ইতিহাস মিলিয়ে যে পরিচয় গড়ে উঠেছে এর মূল কেন্দ্র হলো কৃষি। এ ভূমিতে কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমই নয় এটি মানুষের জীবনধারা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। নদীর তীরে বসতি, ঋতুচক্রের সঙ্গে মিলিত শ্রম এবং বন্যার সঙ্গে সহাবস্থানের অভ্যাস সবকিছু কৃষিকে মানুষের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে মিশিয়েছে। প্রতিটি খন্ডিত জমিতে লুকিয়ে আছে কৃষকের ঘাম, তার আনন্দ-দুঃখ।  পাশাপাশি রয়েছে, অদৃশ্য আত্মত্যাগের গল্প। যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে বাংলাদেশের পরিচয় বহন করছে। এ দীর্ঘ ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক হিসেবে ২০০৮ সালে পয়লা অগ্রহায়ণ, নবান্ন উৎসবের দিনে ‘জাতীয় কৃষি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

 

 

 

ধান মৌসুমের আনন্দ, নতুন ফসল ঘরে তোলার উচ্ছ্বাস এবং কৃষকের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা এসবের মিলিত প্রকাশই হলো সেই দিন। দিনটি শুধু উদযাপন নয়; এটি কৃষির অর্জন পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ এবং কৃষকের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের এক জাতীয় মঞ্চে পরিণত হয়েছে। মোগল আমলে বাংলায় কৃষি ছিল রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ। উর্বর জমি, সেচব্যবস্থার সুবিধা এবং নদীভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা কৃষিকে তুলনামূলকভাবে সংগঠিত করেছিল। কিন্তু  ব্রিটিশ শাসনকালে জমিদারি প্রথার কারণে সে ঐতিহ্য ভেঙে যায়। কৃষক শোষণের শিকার হয়ে খাজনার বোঝা বহন করতেন এবং ঋণের ফাঁদে আটকে পড়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর সময়ে কৃষিক্ষেত্রে নেমে আসে ভয়াবহ সংকট।

 

 

খাদ্যাভাব, দুর্ভিক্ষ এবং পর্যাপ্ত উৎপাদন করতে অক্ষম পরিস্থিতি দেশের কৃষি খাতকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। তখন রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নেয়, কৃষিই হবে  দেশের উন্নয়নের মূল ভিত্তি। এই নীতি পরবর্তীকালে কৃষি পুনর্গঠনে মূল কাঠামো হিসেবে কাজ করে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে গড়ে তোলা হয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো। যেটি বৈজ্ঞানিক কৃষির পথ দেখিয়েছে এবং পরবর্তী দশকে বাংলাদেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

 

 

 


বাংলাদেশে  বৈজ্ঞানিক কৃষির যে শক্ত ভিত গড়ে উঠেছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে একাধিক গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। যাদের সমন্বিত ভূমিকা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার ভিত্তি তৈরি করেছে। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC) দেশের কৃষি গবেষণাকে সমন্বিত কাঠামো দেয়; ফসল বৈচিত্র্য, নিবিড়তা ও প্রযুক্তির মানদণ্ড নির্ধারণে যার নেতৃত্ব আজও মূল চালিকাশক্তি। ধান বাদে প্রায় সব খাদ্যশস্যে গবেষণার দায়িত্ব পালন করছে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট BARI); টমেটো, আলু, ডাল, তেলবীজ ও ফলের শতাধিক উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করে আধুনিক কৃষির অন্যতম স্তম্ভ হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

 

ধান গবেষণার মূল কেন্দ্র ১৯৭০ সালে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), যার উদ্ভাবিত ব্রিধান-২৮, ব্রিধান-৩৩, ব্রিধান-৫০, ব্রিধান-৭৫, ব্রিধান-৮১ ও লবণাক্ততা-সহনশীল ধান ব্রিধান-৬৭ উপকূলীয় কৃষিকে নতুন সম্ভাবনা এনে দিয়েছে; জলবায়ু-সহনশীল, জিংকসমৃদ্ধ, সুগার ফ্রি ধানের জাত উদ্ভাবনে বিএআরআই আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। মানবসৃষ্ট বিকিরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন জাত উদ্ভাবনের পথ দেখিয়েছে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ নিউক্লিয়ার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA), যা বিনা-ধান, বিনা-মুগ, বিনা-মসুরসহ ১৫০টির বেশি উন্নত জাতের মাধ্যমে শস্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ঐতিহ্যবাহী পাট গবেষণায় ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) টসা-৫, টসা-৮-এর মতো উচ্চফলনশীল জাতের পাশাপাশি জুটবায়ো-পলিমার ও জুটজিওটেক্সটাইল প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে পাটশিল্পে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছে।

 

 


মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার মূল সেতুবন্ধন ১৯৮২ সালে পুনর্গঠিত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE); প্রশিক্ষণ, প্রর্দশনী, মাঠ পরিদর্শন ও স্মার্ট এগ্রি-টুলস ব্যবহারের দিকনির্দেশনার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিতে এটি সর্বাধিক দৃশ্যমান ভূমিকা রাখছে। একইভাবে, ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (BADC) উচ্চমানের বীজ উৎপাদন, সেচ সুবিধা, সার ও কৃষিযন্ত্র সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে খাদ্যশস্য উৎপাদনের ভিত্তি শক্তিশালী করেছে। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত তুলা উন্নয়ন বোর্ড (CDB) উন্নত তুলা-জাত ও আধুনিক চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল খাতের কাঁচামাল নির্ভরতা কমাতে সহায়তা দিচ্ছে। মাটির উর্বরতা, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা ও সার প্রয়োগের  বৈজ্ঞানিক হিসাব নির্ধারণে ১৯৬১ সালের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) দেশের মাটির মানচিত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে ফসলভিত্তিক সার সুপারিশ পর্যন্ত কৃষকদের নির্ভরযোগ্য দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।  আর কৃষিবিজ্ঞানে মানবসম্পদ তৈরির প্রধান কেন্দ্র ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (BAU), যা গবেষক, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরি করে প্রতিটি কৃষি উপখাতে জ্ঞানভিত্তিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছে। সমষ্টিগতভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোই বাংলাদেশে আধুনিক কৃষির ভিত্তি গড়ে তুলেছে এবং গবেষণাকে মাঠে, মাঠকে বাজারে আর কৃষিকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় আনার পথ তৈরি করেছে।

 

 

 

১৯৮০-এর দশক থেকে ধান, গম ও সবজি উৎপাদনে শুরু হওয়া কৃষি বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে খাদ্য উৎপাদনে অন্যতম সফল দেশ হিসেবে স্বীকৃত। শস্য, সবজি, ফল, মাছ, মাংস ও দুধ এই সমগ্র খাদ্যব্যবস্থায় যে সমৃদ্ধি গড়ে উঠেছে তার প্রতিফলন দেখা যায় কৃষিপণ্য রপ্তানিতেও। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে সাতশোর বেশি কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়, যার মধ্যে মাছ ও ক্রাস্টেসিয়ান পণ্যই রপ্তানির বড় অংশ দখল করে আছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বছরে প্রায় ১.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ে করছে এবং মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে এসব পণ্যের চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ফল, সবজি, ফুল, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও মৎস্যপণ্য আজ বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে (বাংলাদেশ বিজনেস সমিট-২০২৪)। এই অগ্রযাত্রা শুধু খাদ্য নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করেনি, কৃষিকে দেশের অর্থনীতি, রপ্তানি ও গ্রামীণ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং এটি বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক অনন্য সফলতা বয়ে এনেছে।

 

 


অতীতের কৃষি ছিল পরিশ্রমনির্ভর, কিন্তু বর্তমানের কৃষি দাঁড়িয়ে আছে জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির ওপর। কৃষি গবেষণাগারে উদ্ভাবিত হচ্ছে উচ্চফলনশীল জাতের বীজ, জলবায়ু সহনশীল জাত এবং জৈব সার প্রযুক্তি। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ফসল ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ হয়েছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এখন পর্যন্ত ১২০টির বেশি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। লবণাক্ততা, খরা এবং বন্যার জন্য উপযোগী এই জাতগুলো উপকূলীয় অঞ্চলেও ধান চাষকে জনপ্রিয় করেছে। সবজি এবং ফলের উন্নত জাতের জনপ্রিয়তা শুধু কৃষকের আয় বাড়ায়নি, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পথও খুলে দিয়েছে। বিশেষ করে বারোমাসি সবজি যেমন টমেটো, লাউ, ঢেঁড়স, কুমড়া, শসা এবং বিভিন্ন ফল বছরে বারো মাস উৎপাদন হচ্ছে, যা আগে কল্পনাও করা যেত না। গত দুই দশকে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ দেশের কৃষিতে নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ জমিতে এখন ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলার ব্যবহার হয়। ধান কাটা, মাড়াই এবং শুকানোর জন্য কম্বাইন্ড হারভেস্টর, রিপার ও থ্রেশার ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে কৃষকের সময় বাঁচছে, শ্রম খরচ কমছে এবং উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব হচ্ছে। এ পরিবর্তন কৃষিকে শুধু দ্রুততর করছে না, বরং কৃষকের আত্মবিশ্বাস এবং উৎপাদনের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করছে। তথ্যপ্রযুক্তি এখন কৃষির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

 

 

 

কৃষকরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে সহজেই ফসলের রোগ নির্ণয়, বাজার দর, আবহাওয়ার তথ্য এবং সরকারি সহায়তা জানতে পারেন। ড্রোন ও স্যাটেলাইট ডেটা জমির স্বাস্থ্য বিশ্লেষণে আর রিমোট সেন্সিং ফসলের বৃদ্ধির মান নিরূপণে সহায়তা করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সার প্রয়োগের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ, সেচ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ, ফসলের রোগ শনাক্তকরণ এবং বাজার চাহিদা বিশ্লেষণ সম্ভব হয়েছে। প্রযুক্তিগুলো ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে কৃষি ৪.০ যুগে নিয়ে যাচ্ছে।

 

 

 


নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের কৃষিকে নতুন দিক দিয়েছে। ভবিষ্যতের কৃষি হতে হবে প্রযুক্তিনির্ভর, ন্যায্যমূল্যমুখী ও টেকসই এবং প্রিসিশন ফার্মিং, স্মার্ট গ্রিনহাউস, এআই, বায়োইনফরমেটিকস ও ড্রোনভিত্তিক ব্যবস্থাপনা কৃষিকে পুনর্গঠন করবে। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ‘কৃষক থেকে ভোক্তা’ সরাসরি বিপণন কাঠামো জরুরি, যা মধ্যস্বত্বভোগী কমিয়ে কৃষকের প্রকৃত মূল্য নিশ্চিত করবে। কৃষিকে টেকসই করতে এখনই প্রয়োজন কৃষিবান্ধব রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সংস্কার। দলীয় ম্যানিফেস্টোতে কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট বাড়িয়ে মোট বাজেটের ৮-১০ শতাংশ কৃষি খাতে বরাদ্দ এবং কমপক্ষে ২০ শতাংশ গবেষণা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে। ফসলের ন্যূনতম ক্রয়মূল্য আইনে বাধ্যতামূলক করা, কৃষকের জন্য নিবন্ধন ও সুরক্ষা কার্ড চালু, ভর্তুকি ও ঋণ সুবিধায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, হিমাগার ও বাজারকেন্দ্র উন্নয়ন করলে কৃষকের আয় বাড়বে; পাশাপাশি অবৈধ জমি দখল রোধে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত কৃষি-ল্যান্ড সুরক্ষা আইন প্রণয়ন প্রয়োজন।

 

 

নারী কৃষকের অধিকার ও জমির মালিকানা নিশ্চিত করা এবং তরুণদের জন্য কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর, মর্যাদাপূর্ণ ও লাভজনক পেশায় রূপান্তর করাও সময়ের দাবি। স্থানীয় সরকার থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত কৃষকের প্রতিনিধিত্ব ও নীতিনির্ধারণে গবেষক-প্রযুক্তিবিদদের সম্পৃক্ততা বাড়ালে কৃষি হবে আরও বাস্তবভিত্তিক ও টেকসই। কৃষককে ভোট ব্যাংক নয়, দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। কৃষক খাদ্যনিরাপত্তার ভিত্তি। তাদের পরিশ্রমেই দেশ আজ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। ফলে কৃষকের সম্মান রক্ষা, ন্যায্য আয় নিশ্চিত এবং প্রযুক্তির ব্যবহার সহজ করা জাতীয় অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। একটি টেকসই, প্রযুক্তিনির্ভর, ন্যায্যমূল্যমুখী এবং কৃষকবান্ধব কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। এর ফলে কৃষক শুধু উৎপাদক নয়, উন্নয়নের নেতৃত্বে থাকা শক্তি হিসেবে অবস্থান করতে পারেন।

 

 


লেখক: সিনিয়র কৃষিবিদ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, চেয়ারম্যান ডিআরপি ফাউন্ডেশন