কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

কপ-৩০ সম্মেলন: প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ও বিশ্ব পরিবেশের গতিপথ

সুলতান মাহমুদ সরকার [সূত্র : Share Biz News, ২৪ নভেম্বর ২০২৫]

কপ-৩০ সম্মেলন: প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ও বিশ্ব পরিবেশের গতিপথ

বিশ্বসভ্যতা এমন এক সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে উন্নয়নের দীপ্তি ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের আতঙ্ক সমান্তরাল রেখায় ভর করে আছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষ, অর্থনৈতিক বিকাশ কিংবা মানবজীবনের আরাম-আয়েশ যতই বৃদ্ধি পাক, অদৃশ্য এক সংকট যেন আমাদের ভবিষ্যৎকে ক্রমাগত সংকুচিত করে তুলছে। জলবায়ু পরিবর্তন সেই সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে মানবজাতিকে দিচ্ছে অবিরাম সতর্কবার্তা। প্রকৃতির অমোঘ ভাষায় বলা সেই সতর্কতা আমাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়—সময় খুব বেশি নেই। এমন প্রেক্ষাপটে ব্রাজিলের আমাজন হূদয়ে অনুষ্ঠিত কপ-৩০ ছিল এক ঐতিহাসিক মোড়, যা বিশ্বের জলবায়ু রাজনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে নতুন প্রত্যাশা, সংশয় এবং বাস্তবতার মিশেলে।

 

 

বেলেমের অরণ্যঘেরা আকাশের নিচে যখন বিশ্বের নেতৃবৃন্দ, বিজ্ঞানী, পরিবেশকর্মী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতিনিধিরা একত্র হলেন, তখন উপস্থিতির প্রতিটি পদক্ষেপে যেন একদিকে সংকটের ভার, অন্যদিকে মুক্তির আকুতি বহমান ছিল। এই সম্মেলনের গুরুত্ব শুধু এর ভৌগোলিক প্রতীকীতেই নয়; এর গভীরে রয়েছে বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায়বিচারের এক মহাসংলাপ, যার কেন্দ্রবিন্দু প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন, অতীতের ব্যর্থতার প্রতিফলন এবং আগামীর দায়িত্ববোধের আহ্বান।

 

 

বিশ্ব যে ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, তা আর তত্ত্ব নয়, নির্মম বাস্তবতা। অগ্নিপরীক্ষার মতো তাপদাহ, অবিরাম বন্যা, অস্বাভাবিক খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান, হারিয়ে যাওয়ার মুখে থাকা প্রজাতি—এসব যেন পৃথিবীকে প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছে, উন্নতির যন্ত্রণা আর বহনক্ষমতার সীমা ভেঙে গেছে। একসময় যেসব বিষয় ‘ভবিষ্যতের সতর্কতা’ হিসেবে বিবেচিত হতো, এখন সেগুলো আমাদের প্রতিদিনের প্রতিবেদন। কপ-৩০ সেই দিনলিপিকে নতুন আলোকিত দায়বদ্ধতার সামনে দাঁড় করিয়েছে।

 

 

এই সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রস্থলে ছিল কার্বন নিরসন, নবায়নযোগ্য শক্তির বিপ্লব, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ক্ষতিপূরণ, প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা, বনসম্পদ সংরক্ষণ এবং অভিযোজনশক্তি বৃদ্ধি। তবে শুধু এজেন্ডার তালিকা নয়, বিশ্বনেতা ও বিজ্ঞানীরা যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তা আমাদের স্পষ্ট করে দেয়, কথার সময় শেষ হয়ে আসছে। এখন প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ, দ্রুত পদক্ষেপ এবং রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সত্যিকারের সহযোগিতা।

 

 

কপ-৩০-কে অনেকেই বলেছেন, ‘বাস্তবায়নের কপ’, কারণ প্যারিস চুক্তির পরে এক দশক পেরিয়ে গেলেও বাস্তবায়ন যেন গতি পাচ্ছিল না। প্রতিশ্রুতির সংখ্যা যত বেড়েছে, কর্মের কাঠামো ততই ঢিলেঢালা হয়েছে। উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুত অর্থায়ন বহু ক্ষেত্রেই ছিল অসম্পূর্ণ, কালচক্রে বিলম্বিত অথবা নিজস্ব স্বার্থে সংকুচিত। বিশেষত ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো, যাদের সৃষ্ট CO₂ নির্গমন ন্যূনতম, অথচ দুর্ভোগ সর্বাধিক, তারা ন্যায্যতা পেতে এসে বারবার ফিরে গেছেন অপূর্ণ হাতে।

 

 

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু সংকটে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি হিসেবে বাংলাদেশ কপ-৩০-এ শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং মানবিক বেদনার ভাষা নিয়ে হাজির হয়েছিল। উপকূলীয় ভাঙন, লবণাক্ততার তীব্রতা, ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ, আশ্রয়হীন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি—এগুলো বাংলাদেশের পরিণতি নয়, বরং বৈশ্বিক অবিচারের প্রতীক। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল, ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল এখন দানের বিষয় নয়, এটি ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য অধিকার।

 

 

বাংলাদেশ আরও জানিয়েছে, নতুন শক্তিভিত্তিক রূপান্তরে তারা প্রস্তুত; নবায়নযোগ্য শক্তির সমপ্রসারণ এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি অর্থনীতিতে প্রবেশের যে নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, তা বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু এই রূপান্তর একা সম্ভব নয়—প্রযুক্তি স্থানান্তর, স্বল্প সুদের অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া উন্নয়নশীল দেশগুলি কখনই ন্যায্য শক্তি বিপ্লব ঘটাতে পারবে না।

 

 

কপ-৩০-এ যে আরেকটি বড় প্রশ্ন উঠে এসেছে, তা হলো উন্নত বিশ্ব তাদের প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলার বার্ষিক জলবায়ু অর্থায়ন কতটা সময়োপযোগী এবং স্বচ্ছভাবে প্রদান করছে। বাস্তবতা হলো, এই অর্থায়নের প্রবাহে জটিলতা, শর্তারোপ এবং রাজনৈতিক দ্বিধা এখনো বড় প্রতিবন্ধক। তহবিলের বড় অংশই থাকে ঋণ, যা নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ওপর আর্থিক দায় সৃষ্টি করে। কিন্তু এই দায় কি ন্যায়সংগত? তাদের অপরাধ তো ন্যূনতম, শাস্তি সর্বোচ্চ!

 

 

বিশ্বনেতাদের একাংশ মনে করেন, ভবিষ্যতের পরিবেশ রক্ষায় আমাদের নতুন প্রযুক্তিনির্ভর কার্বন অপসারণ পদ্ধতি দরকার, আবার অন্য অংশ বলেন, মানুষের আচরণ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা না বদলালে প্রযুক্তি একা সমাধান দিতে পারবে না। বন রক্ষা, নদী পুনর্জীবন, সমুদ্রের সহনক্ষমতা বৃদ্ধি—এসব প্রাকৃতিক সমাধানকেও গুরুত্ব দিতে হবে। কপ-৩০-এ আমাজনের বনকে প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, শুধু এজন্যই নয় যে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্বন সিঙ্ক; বরং এই বন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, পৃথিবীর ভারসাম্য প্রকৃতির হাতেই, মানুষের উন্নয়ন নয়।

 

 

তবে সম্মেলনে আশার আলোও ছিল। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যে বেশ কিছু দেশ নতুন করে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন তিনগুণ উন্নীত করার পরিকল্পনাও বহু রাষ্ট্র সম্মিলিতভাবে ঘোষণা করেছে। এমনকি কিছু দেশ জীবাশ্ম জ্বালানি-নির্ভরতা কমাতে নির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করেছে, যা অতীতের তুলনায় নিঃসন্দেহে অগ্রগতি। ‘ফসিল ফেজ-আউট’ বা জীবাশ্ম জ্বালানির যুগ সমাপ্তির বিষয়টি এবার আলোচনার মূলধারায় এসেছে, যদিও তা নিয়ে তীব্র বিতর্কও ছিল।

 

 

তবুও প্রশ্ন রয়ে যায়, এই প্রতিশ্রুতিগুলো কি বাস্তবে রূপ পাবে? নাকি আগের কপগুলোর মতোই কাগজে লেখা স্বপ্ন হয়ে থাকবে?

 

 

গত কয়েক দশকের পরিবেশ সম্মেলন পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, সিদ্ধান্তগুলো যতই উদ্দীপনামূলক হোক, বাস্তবায়নের পথে রাজনীতি, অর্থনীতি ও স্বার্থের জট খোলাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কপ-১৫ থেকে কপ-২১ এবং পরবর্তী সময়ে কপ-২৬ ও কপ-২৮ একবারও গ্লোবাল ঐকমত্যকে সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করতে পারেনি। যে প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল উন্নত বিশ্বকে দায়বদ্ধ করার, সেগুলো আংশিক বাস্তবায়িত হয়েছে; আর যেগুলো ছিল উন্নয়নশীল বিশ্বকে প্রযুক্তিগত সুযোগ দেওয়ার, সেগুলোর অনেকটাই প্রতিশ্রুতির স্তরেই আটকে গেছে।

 

 

কপ-৩০-এ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ছিল ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য অর্থায়ন কাঠামো। উচ্চ সুদের ঋণ নয়, বরং অনুদানভিত্তিক সহায়তা প্রয়োজন, কারণ দুর্ভোগের দায়ভার ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর নয়। ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ এই বাস্তবতার ওপর দাঁড়ানো হলেও তহবিলের পরিমাণ, উৎস এবং বণ্টনের স্বচ্ছতা এখনো প্রশ্নবিদ্ধ। বিশেষত ছোট দ্বীপরাষ্ট্র ও উপকূলীয় দেশগুলো উদ্বিগ্ন, কারণ তাদের অস্তিত্বের সঙ্গেই জড়িত এই তহবিল।

 

 

অন্যদিকে নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে আশাবাদ বাড়লেও প্রযুক্তি স্থানান্তর ও বিনিয়োগ এখনো সীমিত। সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও সবুজ হাইড্রোজেনকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ শক্তি নকশা তৈরি হচ্ছে, কিন্তু এই নকশার বাস্তবায়ন উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য তখনই সম্ভব যখন ন্যায্য আর্থিক কাঠামো ও উপযুক্ত সহযোগিতা মেলে।

 

 

বিশ্বের সামনে এখন এক দোটানা—উন্নয়ন আর স্থায়িত্ব। মানুষ উন্নয়ন চাই, প্রযুক্তির অগ্রগতি চাই, জীবনের আরাম চাই; কিন্তু প্রকৃতির সীমার বাইরে গিয়ে সেই উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। আজ উন্নত বিশ্বের ভোগব্যবস্থা যে হারে পরিবেশ ধ্বংস করেছে, সেই ক্ষতের দায় বহন করছে সবচেয়ে দরিদ্র মানুষগুলো। এই বৈষম্যই কপ-৩০-এর মূলতত্ত্বে নতুনভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

 

 

আগামী দিনের বিশ্ব পরিবেশ কোনদিকে যাবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত হয়, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার হবে বৈপ্লবিক। প্রযুক্তিভিত্তিক কার্বন অপসারণ, পরিবেশবান্ধব কৃষি, চক্রাকার অর্থনীতি এবং দূষণমুক্ত নগরায়ন বিশ্বকে নতুন পথ দেখাতে পারে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি যদি রাজনৈতিক টানাপোড়েনে আটকে যায়, তবে পৃথিবী যাবে এক অনিশ্চিত অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে, যেখানে আজকের দুর্যোগ হবে আগামী দিনের স্বাভাবিকতা।

 

 

পরিবেশবিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির গতি যদি বর্তমানের মতো থাকে, তবে ২০৫০ সালের মধ্যেই এশিয়ার বহু উপকূলীয় শহর জলমগ্ন হয়ে পড়বে। খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে পড়বে, পানির সংকট তীব্র হবে, প্রাণিজগতের হাজারো প্রজাতি হারিয়ে যাবে এবং মানবজীবনের গঠনে একটি মৌলিক পরিবর্তন এসে দাঁড়াবে। জলবায়ু পরিবর্তন আর দূরবর্তী দুর্যোগ নয়; এটি মানবসভ্যতার অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় হুমকি।

 

 

আর তাই কপ-৩০-এর আলোচনায় আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ন্যায্যতা বা ক্লাইমেট জাস্টিস। পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে আগে দরকার ন্যায়বিচার, যেখানে যে দেশ যত দায়ী, তার দায়ভার ততটাই দৃঢ়ভাবে বহন করতে হবে। যে দেশ যত ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের অধিকার ততটাই নিশ্চিত করতে হবে। পৃথিবীকে রক্ষা করা মানে কেবল প্রকৃতি নয়; মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষা করা।

 

 

সম্মেলনের শেষ দিনে গৃহীত ঘোষণা—যদিও পুরোপুরি প্রত্যাশা পূরণ করেনি, তবু বিশ্বকে নতুন আস্থা দিয়েছে। ‘এনহান্সড অ্যাম্বিশন’, ‘ফসিল ফেজ-আউট ডায়ালগ’, ‘গ্লোবাল রিনিউএবল মিশন’, ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ আর্কিটেকচার’—এসব নতুন কাঠামো আমাদের জানায়, পৃথিবী অন্তত সঠিক পথে হাঁটতে শুরু করেছে। পথ দীর্ঘ, পাথুরে; কিন্তু আশার আলো ক্ষীণ হলেও নিভে যায়নি।

 

 

বাংলাদেশসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর চোখে কপ-৩০ ছিল ন্যায়বিচারের ডাক। সম্মেলন তাদের প্রাপ্তি দিয়েছে কিছু; কিন্তু আরও অনেক কিছু বাকি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—বিশ্বকে বদলাতে হলে একতরফা নয়, সম্মিলিত, সাহসী এবং সময়োপযোগী অঙ্গীকার প্রয়োজন।

 

 

কপ-৩০ আমাদের শিখিয়েছে, পৃথিবীকে রক্ষা করা শুধু পরিবেশবিদদের কাজ নয়, এটি রাষ্ট্রনেতা, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের একটি সম্মিলিত যাত্রা। পৃথিবী যদি আমাদের বাঁচিয়ে রাখে, আমরা কি তাকে একইভাবে রক্ষা করব না?

 

 

আজ যখন আমরা বেলেম সম্মেলনের দিনগুলো পুনরায় স্মরণ করি, তখন একটাই উপলব্ধি আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে—পৃথিবী আর অপেক্ষা করতে পারে না। প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি নীতি, প্রতিটি প্রযুক্তি এখনই বাস্তবায়নের দাবি রাখে। আমাদের সময় কম, কিন্তু সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

 

 

কপ-৩০ সেই সম্ভাবনার দরজায় কড়া নাড়ার সুযোগ দিয়েছে। এখন দায়িত্ব আমাদের—মানুষের, রাষ্ট্রের, বিশ্বের—এই দরজা খোলা রাখার, অথবা অনিশ্চয়তার অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়ার।

 

 

শিক্ষক

গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ