কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

কপ-৩০ : বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে

ড. কানন পুরকায়স্থ [সূত্র : কালের কণ্ঠ, ১৪ নভেম্বর ২০২৫]

কপ-৩০ : বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে

ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি আয়োজিত কনফারেন্স অব পার্টির ৩০তম অধিবেশন (কপ-৩০)। ১০ নভেম্বর শুরু হয়েছে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। বেলেম আমাজন রেইনফরেস্টের কাছাকাছি অবস্থিত। তাই কপ-৩০-এর আয়োজকরা উল্লেখ করেছেন যে এই স্থানটি ‘জলবায়ু সমাধান নিয়ে আলোচনা করার জন্য বিশ্বকে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম প্রদান করবে, যা দৃঢ়ভাবে আমাজনের হৃদয়ে প্রোথিত’। ১৯৯২ সালে রিও আর্থ সামিটের পর ব্রাজিলে আবার ফিরে এলো এই সম্মেলন। ব্রাজিল কপ-৩০-এর জন্য তিনটি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। প্রথম লক্ষ্য হলো ‘বহুপাক্ষিকতা জোরদার করা’। দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো ‘জাতীয় নির্গমন হ্রাস’।

 
এই লক্ষ্যটি মূল প্যারিস চুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে সবাই একমত হয়েছিল যে জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জাতীয় পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত হবে। তৃতীয় লক্ষ্য হলো ‘বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা’, যেখানে ব্রাজিল পূর্ববর্তী কপে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ফলাফল প্রদানের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। এর মধ্যে রয়েছে দুবাইয়ে কপ-২৮-এর ‘গ্লোবাল স্টকটেক’-এর ফলাফল, যেমন ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন তিন গুণ বৃদ্ধি এবং জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে দূরে সরে আসা।

 

 

 

ব্রাজিল যখন প্যারিস চুক্তি সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে, তখন কপ-৩০-এর প্রেসিডেন্ট কোরে দ্যু লাগো সম্মেলনের ‘কর্মসূচি’ ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী স্টকটেকের অংশ হিসেবে গৃহীত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তৈরির জন্য পক্ষগুলোকে চিঠি লিখেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার তিন গুণ বৃদ্ধি করা।

 
 
 
এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী জলবায়ু কূটনীতি প্রয়োজন। জলবায়ু কূটনীতির অংশ হিসেবে কিছু প্রশ্নের সমাধান করা প্রয়োজন এবং আলোচনাসভায় প্রমাণভিত্তিক যুক্তি উপস্থাপন করা প্রয়োজন। আমি এখন কিছু বিতর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিতর্ক উঠেছে যে সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি কার্বন নির্গমনের জন্য দায়ী। কারণ এগুলো তৈরি করতে কার্বন নির্গমন করতে পারে এমন উপকরণ ব্যবহার করা হয়।

 
 
 
তবে জীবনচক্র বিশ্লেষণ করে কেউ বিভিন্ন পণ্যের মোট কার্বন পদাঙ্ক (footprint) গণনা করতে পারে, যার মধ্যে খনি, পরিবহন এবং উৎপাদন থেকে নির্গমন অন্তর্ভুক্ত। জাতিসংঘের ‘অর্থনৈতিক কমিশন অব ইউরোপ’-এর ২০২১ সালের প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি কিছু কার্বন নির্গমন করে, তবে জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় অনেক কম। উদাহরণস্বরূপ, প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস যথাক্রমে সর্বনিম্ন এক হাজার চার ও ৪৫৮ গ্রাম সমতুল্য কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত করে, যেখানে সৌরশক্তি, তীরবর্তী বায়ুশক্তি ও উপকূলবর্তী বায়ুশক্তি প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যথাক্রমে ৫৩, ১২ ও ১৮ গ্রাম সমতুল্য কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত করে। সুতরাং এ ক্ষেত্রে জলবায়ু কূটনীতি হলো প্রমাণভিত্তিক যুক্তি উপস্থাপন করা এবং এমন কিছু কৌশলও সুপারিশ করা, যেমন—যেসব দেশে এরই মধ্যে কম কার্বন বিদ্যুৎ গ্রিড বিদ্যমান, সেখানে সৌর প্যানেল ও বায়ু টারবাইন উৎপাদন।

 

 

 

আমরা কিছু বিতর্কের সম্মুখীন হই যে সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি নির্ভরযোগ্য নয়। কারণ সূর্যের আলো সব সময় পাওয়া যায় না এবং বাতাস সব সময় প্রবাহিত হয় না। এটি একটি বাস্তব সমস্যা যে সৌর ও বায়ু ধারাবাহিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না, তবে আমরা শক্তি সঞ্চয় করতে পারি এবং প্রয়োজনে তা ব্যবহার করতে পারি। ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কও কিছু সমস্যার সমাধান করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাজ্য মরক্কোর বৃহৎ সৌর খামার থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে চাইছে। আয়রন রেডক্স ফ্লো বা লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির মতো বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করে শক্তি সঞ্চয় করার জন্য বেশ কয়েকটি বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটি দেশের জন্য সঠিক সমাধান খুঁজে বের করার জন্য এখানে জলবায়ু কূটনীতির প্রয়োজন।

 

 

এর কোনো সর্বজনীন সমাধান নেই এবং তাই প্রযুক্তির মিশ্রণ প্রয়োজন। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে একটি সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে। দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় একটি সমস্যা, যা এখনো সম্পূর্ণরূপে সমাধান করা হয়নি। তাই ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে প্রযুক্তি ও কৌশলগত পদ্ধতির মিশ্রণ প্রয়োজন।

 

 

আমরা কিভাবে প্রমাণ করতে পারি যে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যয়বহুল নয়? আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার প্রতিবেদন ‘রিনিউয়েবলস ২০২৩’ পরামর্শ দেয় যে ২০২৩ সালে ৯৬ শতাংশ সৌর ফটোভোলটাইক ও তীরবর্তী বায়ুশক্তিতে নতুন কয়লা ও গ্যাস প্লান্টের তুলনায় কম উৎপাদন খরচ ছিল। ‘Empirically grounded technology forecasts and the energy transition’ শীর্ষক গবেষণা পরামর্শ দেয় যে নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টা শক্তির উৎপাদন খরচ জীবাশ্ম জ্বালানি খরচের তুলনায় অনেক কম। সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের খরচ নাটকীয়ভাবে কমে গেছে। জলবায়ু কূটনীতিতে এই বিষয়টির ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা উচিত যে জীবাশ্ম জ্বালানির খরচ থেকে দুটি প্রধান খরচ অনুপস্থিত। একটি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতি এবং অন্যটি হলো স্থানীয় বায়ুদূষণ ও স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব।

 

 

দরিদ্র দেশগুলোকে মূলধন খাতে অর্থায়ন এবং সৌর, বায়ু ও ব্যাটারি প্রযুক্তির দ্রুত স্থাপনার জন্যও জলবায়ু কূটনীতি প্রয়োজন। কখনো কখনো জলবায়ু আলোচনার টেবিলে বসে কেউ হয়তো এই বিতর্কের মুখোমুখি হতে পারেন যে সৌর প্যানেল ও বায়ু টারবাইন বিপুল পরিমাণে বর্জ্য উৎপন্ন করে। তবে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সাসটেইনেবল সিস্টেমস কর্তৃক প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে কয়লা থেকে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মেগাওয়াট-ঘণ্টা বর্জ্যের পরিমাণ ৮৯ কিলোগ্রাম, যেখানে সৌর ফটোভোলটাইক সিস্টেম থেকে উৎপাদিত বর্জ্য ২ কিলোগ্রাম এবং বায়ুশক্তি থেকে উৎপাদিত বর্জ্য ০.২ কিলোগ্রাম। কয়লা থেকে উৎপাদিত বর্জ্যের বেশির ভাগই ছাই। এ ক্ষেত্রে জলবায়ু কূটনীতির বিষয় হলো নবায়নযোগ্য এবং অন্যান্য শক্তির উৎস থেকে বর্জ্য উৎপাদনের তুলনা করা।

 

 

জলবায়ু কূটনীতিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সৌর প্যানেল বা বায়ু টারবাইন উৎপাদনের কৌশল তৈরির ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা যেতে পারে। বর্জ্যের পরিমাণ একটি বিষয়, কিন্তু জলবায়ু কূটনীতির জন্য এর বিষাক্ততা আরো গুরুত্বপূর্ণ। ২০১২ সালে রিনিউয়েবল এনার্জি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ বায়ু টারবাইন উপাদান পুনর্ব্যবহারযোগ্য হতে পারে, কিন্তু ব্লেড পুনর্ব্যবহার করা কঠিন। যা হোক, ব্লেডগুলোকে অবিপজ্জনক বর্জ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় এবং ল্যান্ডফিলে পাঠানো যেতে পারে, যেখানে কয়লার বর্জ্য একটি বিপজ্জনক বর্জ্য হতে পারে।

 

 

যখন মানুষ যুক্তি দেয় যে সৌর প্যানেল ও বায়ু টারবাইন প্রচুর কৃষিজমি ব্যবহার করতে পারে, তখন কূটনীতির প্রয়োজন হয়। বিভিন্ন সংবাদপত্র মাঝে মাঝে এমন ছবি প্রকাশ করে যে সৌর প্যানেলগুলো ধানক্ষেতকে ঢেকে দিচ্ছে, যদিও যুক্তরাজ্যের কিছু জায়গায় ল্যান্ডফিলে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি ইউনিটে কত জমি প্রয়োজন তার ওপর ভিত্তি করে শক্তির উৎসগুলোর তুলনা করার জন্য তথ্য প্রয়োজন।

 

 

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক কমিশন ফর ইউরোপ (২০২১) এবং এনার্জি ট্রানজিশন কমিশনের তথ্য (২০২৩) থেকে জানা যায় যে পারমাণবিক শক্তি বিশ্বকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মাত্র ০.০১ শতাংশ জমি ব্যবহার করে। সৌরশক্তির জন্য ০.৫ শতাংশ জমি প্রয়োজন। কিছু দেশ এরই মধ্যে নিজেদের ভবনের ছাদে সৌরশক্তি প্যানেল ব্যবহার করছে। কিছু গবেষণায় আরো বলা হয়েছে যে শক্তির উৎস হিসেবে কয়লা ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত সব কার্যকলাপের সম্পূর্ণ কার্বন পদাঙ্ক বিবেচনা করার সময় সৌরশক্তির চেয়ে কয়লার বেশি জমি প্রয়োজন। তীরবর্তী বায়ুশক্তির চেয়ে উপকূলবর্তী বায়ুশক্তির প্রকল্পে বেশি বিনিয়োগের কূটনীতি ভূমি সীমাবদ্ধতার সমস্যা এড়াতে সাহায্য করবে।

 

 

একটি দেশের সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো আসবে তার মধ্যে একটি হলো উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রে কিভাবে বিদ্যুৎ স্থানান্তর করা যায়। সাধারণ ভাষায় আমরা একে ‘বিদ্যুৎ গ্রিড’ বলি। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার (আইইএ) তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে যে বিদ্যুৎ গ্রিডে ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি যোগ করা হচ্ছে, তবে সংযোগের অতিরিক্ত চাপের ঝুঁকির কারণে এটি একটি ধীর প্রক্রিয়া।

 

 

বিশ্বজুড়ে বিদ্যুৎ গ্রিডের লাইন তৈরি হচ্ছে। আইইএর তথ্য থেকে আরো জানা যাচ্ছে যে ধনী দেশগুলো তুলনামূলকভাবে দরিদ্র দেশগুলোর তুলনায় গ্রিড তৈরিতে ধীরগতিতে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, ভারত ও চীন একটি ট্রান্সমিশন লাইন তৈরি করতে প্রায় দুই বছর সময় নেয়, যেখানে ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চার-পাঁচ বছর সময় লাগে। সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব নয়। কারণ প্রতিবার গ্রিডে জেনারেটর যুক্ত করলে পুরো সিস্টেমটি ভেঙে পড়তে পারে। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে, বিদ্যুৎ গ্রিড ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য গণনামূলক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রকৃতপক্ষে গ্রিডে আরো বিনিয়োগ এবং একটি সহজ  নিয়ম ব্যবহারের জন্য কূটনীতি প্রয়োজন। নতুন গ্রিড প্রযুক্তিও প্রয়োজন।

 

 

জলবায়ু আলোচনার টেবিলে আমরা মাঝে মাঝে এই যুক্তির মুখোমুখি হই যে বায়ু খামারগুলো প্রচুর পাখি ও বন্যপ্রাণীকে হত্যা করতে পারে। এটি সম্ভব যে কিছু পাখি ও বন্যপ্রাণী বায়ুশক্তি পরিচালিত টারবাইন দ্বারা মারা যেতে পারে। কানাডিয়ান জার্নাল অব জুওলজিতে  প্রকাশিত ‘বায়ুশক্তি দ্বারা বাদুড় ও পাখির মৃত্যুর হারের পরিবর্তন : রোটরের আকার এবং টাওয়ারের উচ্চতার প্রভাব মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণা পরামর্শ দেয় যে টারবাইন প্রতিবছর ছয় থেকে ২০টি বাদুড়কে হত্যা করে, যা অন্যান্য পাখির তুলনায় বেশি। সুতরাং ঝুঁকিটি প্রজাতির সংবেদনশীলতার ওপর নির্ভরশীল। এর জন্য সঠিক মূল্যায়ন প্রয়োজন। সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো বাতাসের গতি কম থাকলে বায়ু টারবাইন বন্ধ করার বিষয়ে একমত হওয়া। বায়ুশক্তি স্থাপনের জন্য বিশেষ সংরক্ষণের আগ্রহের ক্ষেত্র এড়ানো উচিত। অন্যান্য পরামর্শ হলো টারবাইনে কালো রং ব্যবহার করা এবং বাদুড় ও পাখিদের তাড়াতে শব্দসতর্কতা ব্যবহার করা।

 

 

সর্বোপরি ২০৫০ সালের মধ্যে নিট শূন্য নির্গমন অর্জনের জন্য বিদ্যুৎ গ্রিডে নবায়নযোগ্য শক্তি চালু করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। এতে সফল হওয়ার জন্য জলবায়ু কূটনীতি প্রয়োজন। নবায়নযোগ্য শক্তি বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তাই জলবায়ু সম্মেলনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ এড়ানো উচিত নয়।

লেখক : অধ্যাপক এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিষয়ক উপদেষ্টা, যুক্তরাজ্য