জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবেলায় সহায়ক হতে পারে বিশেষায়িত বীমা ও সঞ্চয় স্কিম
শামীম আরফীন [সূত্র : বণিক বার্তা, ১৪ নভেম্বর ২০২৫]

দুনিয়াজুড়ে পরিবেশ-প্রতিবেশকে বিবেচনায় না নিয়ে যেসব উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চলছে তার ফলে মানুষসহ প্রাণ-প্রকৃতি আজ চরম ঝুঁকির মুখে। এমনই এক বাস্তবতার মধ্যে ১৯৯২ সালে গঠিত ইউনাইটেড নেশন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি) ৩৩ বছর পার করেছে। এ প্রক্রিয়ায় ১০-২১ নভেম্বর পর্যন্ত ব্রাজিলের বেলিম শহরে ৩০তম কপ বা জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যেখানে বিশ্বনেতা, বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, বিনিয়োগকারী, নাগরিক প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, করপোরেট ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।
বিগত ২৯টি জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বনেতারা পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ও জনগোষ্ঠীর ‘মিটিগেশন’, ‘অভিযোজন’ ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় দক্ষতা-সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ক্ষতিপূরণ, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানে সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েই চলেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিশ্রুতি নিম্নরূপ:
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন বা কপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে যেখানে উন্নত দেশগুলোর কার্বন নির্গমনের হার ২০০০ সালের মধ্যে ১৯৯০ সালের নির্গমনের পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কপ৩ (১৯৯৭): পৃথিবীর তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে অতিমাত্রায় কার্বনসহ গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসে ‘কিয়োটো প্রটোকলে’ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় শিল্পোন্নত ও ধনী দেশগুলো (অ্যানেক্স-এ ভুক্ত)।
কপ২১ (২০১৫): প্যারিস চুক্তি যা একটি সর্বজনীন আইনি বাধ্যবাধকতামূলক চুক্তি। যেখানে সব রাষ্ট্রই গ্রিনহাউজ গ্যাস ‘প্রশমন, অভিযোজন ও অর্থায়নে’ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিল। তাছাড়া এ চুক্তিতেই বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
কপ২৬ (২০২১): গ্লাসগোয় গৃহীত অন্যতম প্রতিশ্রুতি হলো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ‘পর্যায়ক্রমে হ্রাস (Phase down),’ অথবা ‘পর্যায়ক্রমে বন্ধ (Phase out)’ এবং অভিযোজনের অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করা।
কপ২৮ (২০২৩): দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ তহবিল (লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড) গঠন ও তার কার্যকারিতা নিশ্চিত, কার্বন নিঃসরণের মাত্রা হ্রাস ও প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যগুলোর অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য কৌশল নির্ধারণ এবং তা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
কপ২৯ (২০২৪): আজারবাইজানের বাকুতে জলবায়ু অর্থায়নের ওপর জোর দেয়া হয়। সম্মেলনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০৩৫ সালের মধ্যে ধনী উন্নত দেশগুলো ন্যূনতম ৩০০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ, প্যারিস চুক্তির ধারার ৬ বাস্তবায়নে বৃহত্তর আঙ্গিকে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলারের তহবিল সংগ্রহ করার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়।
এ পর্যন্ত যেসব প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে সেখানে প্রধানত দুটি ইস্যু। প্রথমটি হলো কার্বনসহ গ্রিনহাউজ গ্যাস নিগর্মন হ্রাস করা, দ্বিতীয়টি হলো জলবায়ু ক্ষতি মোকাবেলায় অর্থায়ন। কিন্তু ১৯৯৫ সালের প্রথম সম্মেলনে গ্রিনহাউজ গ্যাসের উদ্গীরণ হ্রাসের প্রতিশ্রুতি হলেও ৩০ বছর ধরে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েই চলছে। গ্লোবাল কার্বন বাজেটের (২০২৪) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৫ সালে বৈশ্বিক গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ যেখানে ছিল ২৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন টন, ২০২৪-এ এসে সেই নির্গমনের হার বৃদ্ধি পেয়ে ৪১ দশমিক ৬ বিলিয়ন টনে এসে দাঁড়িয়েছে (বৃদ্ধির হার ৪৯ শতাংশ)।
গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের সঙ্গে বেড়ে চলেছে মানুষের জীবন ও জীবিকার ভোগান্তি; পরিবেশ-প্রতিবেশের অবক্ষয়। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়নে নানাভাবে নানা তহবিল গড়ে উঠলেও প্রান্তিক ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এর আওতায় কতটুকু এসেছে তা একটি বড় জিজ্ঞাসা। জলবায়ু অর্থায়নের যে শাখা-প্রশাখা গজিয়েছে তা বিশ্লেষণ করে কতটুকু ঋণ আর কতটুকু সহায়তা বা ক্ষতিপূরণ—এটা নির্ণয় করা প্রায় অসম্ভব। ইউএনএফসিসিসির প্রসেসের মাধ্যমে গৃহীত এসব প্রতিশ্রুতি যথার্থভাবে বাস্তবায়ন হয়নি।
জলবায়ু বীমা: ইতিহাস ঘেঁটে দেখা য়ায়, হাম্মুরাবির বিধি (Code of Hammurabi)-তে ইন্স্যুরেন্স বা বীমার সরাসরি ধারণা না থাকলেও এর কিছু নীতিতে ‘ঝুঁকি ভাগাভাগি’ বা ‘ক্ষতিপূরণ’-এর ধারণা পাওয়া যায়। তাছাড়া প্রাচীন গ্রিস ও রোমের বীমা সদৃশ ধারণার মূল ভিত্তি ছিল একে অন্যকে সাহায্য করার একটি পদ্ধতি, যা ‘হিতৈষী সমাজ’ বা ‘সামুদ্রিক ঋণের মাধ্যমে বিকশিত হয়। গ্রিকরা প্রায় ৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে একটি জীবন ও স্বাস্থ্য বীমার মতো ধারণা তৈরি করে, যা আধুনিক বীমা ব্যবস্থার প্রাথমিক রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই প্রাচীন বীমা ব্যবস্থা বিবর্তনের মাধ্যমে আজ আমাদের সামনে এক শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে দাঁড়িয়েছে, যা শুধু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নয়, হতে পারে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় গোটা মানবজাতির জন্য কল্যাণকর।
ক্লাইমেট ইন্স্যুরেন্স বা জলবায়ু বীমা হতে পারে ঝুঁকি মোকাবেলার একটি অন্যতম কৌশল। ইন্টারগভার্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (আইপিসিসি) প্রথম মূল্যায়ন প্রতিবেদনে (১৯৯০) জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি শিক্ষা এবং প্রশমনে বীমা খাতের প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করা হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশে জলবায়ু বীমা পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত আছে যেখানে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য ‘প্যারামেট্রিক বীমা’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে, যেখানে কোনো পূর্বনির্ধারিত ঘটনার মাত্রা (যেমন বন্যার পানির উচ্চতা বা বাতাসের গতি) একটি নির্দিষ্ট স্তরে পৌঁছলেই প্রমাণ বা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ছাড়াই তাড়াতাড়ি অর্থ প্রদান করা হয়। কিন্তু ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ অথবা বীমা দাবি নিষ্পত্তির জন্য এ ‘প্যারামেট্রিক বীমা’ পদ্ধতি কতটা কার্যকর সেটি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন রয়েছে।
‘জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি অর্থায়ন ও বীমা’ (সিডিআরএফআই) হলো একটি সমন্বিত কাঠামো যা জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবেলায় আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এটি বীমা, পুনর্বীমা, জরুরি তহবিল, ঝুঁকি ভাগাভাগি ও আর্থিক সহায়তা— উপকরণগুলোর মাধ্যমে কাজ করবে বলে ধারণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ১০টি দেশে এ বীমা কাঠামো নিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে। তাছাড়া কপ২৭-এর ধারাবাহিকতায় ‘গ্লোবাল শিল্ড’-এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারও নিবিড়ভাবে জলবায়ু বীমা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। গ্লোবাল শিল্ড ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১০ মে গ্লোবাল শিল্ড বিশ্বব্যাংকের ১০২ মিলিয়ন ডলার বাজেটের যমুনা রিভার সাসটেইনেবল ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে বাংলাদেশের বন্যা ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্যারামেট্রিক ইন্সুরেন্স পদ্ধতিতে ৯ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, তৃণমূলের হতদরিদ্র মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে কয়েক দশক ধরে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন, পেশাচ্যুত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, সেই জনগোষ্ঠী বা তাদের পক্ষে কে বা কারা বীমার প্রিমিয়াম প্রদান করবেন?
বীমা কোম্পানিগুলো পৃথিবীর দেশে দেশে মুনাফা অর্জন করবে, এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা যদি জলবায়ু বিপদাপন্ন মানুষের কথা ভাবি, তাহলে জলবায়ু বীমা হতে হবে একটি ‘বিশেয়ায়িত বীমা’ পদ্ধতি। বীমা কোম্পানিগুলো করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটির আওতায় (সিএসআর) একটি স্বতন্ত্র বাণিজ্যিক কাঠামোর আওতায় ‘বিশেষায়িত বীমা’ পলিসি প্রণয়ন করতে পারে।
পৃথিবীতে যেহেতু জলবায়ুবিষয়ক বীমা নিয়ে নানা পর্যায়ে গবেষণা হচ্ছে, বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশের একজন হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা যে বীমা নীতিমালাগুলো যেন জলবায়ু ন্যায্যতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রণীত হয়। এ বিষয়ের সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পৃক্ত সিদ্ধান্ত প্রণয়নকারীরা জলবায়ু ন্যায্যতাকে বিবেচনায় নিয়ে একটি সহজ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠা করবেন।
একটি কল্পিত বীমা ধারণা: ‘বিশেষায়িত জলবায়ু বীমা ও সঞ্চয় স্কিম’। এখানে বীমাগ্রহীতাদের পক্ষে রাষ্ট্র বীমাগ্রহীতার পক্ষে বীমার প্রিমিয়াম প্রদান করবে। জলবায়ু বিপদাপন্ন (দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো, স্বল্প উন্নত দেশ ও উন্নয়নশীল দেশ) দেশগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গঠিত ‘জলবায়ু তহবিল’ থেকে বীমার প্রিমিয়ামের অর্থ অনুদান হিসেবে গ্রহণ করবে।
প্রিমিয়াম পদ্ধতি: ধরা যাক, ১০ বছর মেয়াদি একটি সূচকনির্ভর (প্যারামেট্রিক) সাধারণ বীমার বার্ষিক ফেস ভ্যালু ৫ লাখ টাকা, সেক্ষেত্রে একজন বীমাগ্রহীতা বছরে প্রিমিয়াম প্রদান করবেন ফেস ভ্যালুর ১০ শতাংশ অর্থাৎ ৫০ হাজার টাকা। যদি শুধু সংশ্লিষ্ট বছরে কোনো নির্ধারিত ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে তাহলে প্রিমিয়ামের ৮০ শতাংশ অর্থাৎ ৪০ হাজার টাকা বীমা কোম্পানি ঝুঁকি কাভারেজ, ব্যবস্থাপনা ও সার্ভিস চার্জ হিসেবে কর্তন করবে এবং ২০ শতাংশ অর্থাৎ ১০ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট বীমাগ্রহীতার সঞ্চয়ী হিসেবে ফেরত পাবেন। আর যদি চুক্তি অনুযায়ী বীমাগ্রহীতা নির্ধারিত ঝুঁকির মধ্যে পড়েন তাহলে প্রিমিয়ামের টাকার বিনিময়ে ফেস অ্যামাউন্টের নির্ধারিত টাকার পুরোটাই পাবেন।
প্রথম বছরে সম্পূর্ণ ৫০ হাজার টাকা বীমাগ্রহীতা নিজে পরিশোধ করবেন। তবে দ্বিতীয় বছর থেকে দশম বছর পর্যন্ত মোট প্রিমিয়ামের ৮০ শতাংশ, অর্থাৎ ৪০ হাজার টাকা প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে রাষ্ট্র বীমাগ্রহীতার পক্ষে প্রদান করবে এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ অর্থাৎ ১০ হাজার টাকা বীমাগ্রহীতা ওই নির্ধারিত সময়ে প্রদান করবেন, যা সরাসরি বীমা কোম্পানির কাছে যাবে; ফলে বীমা সুরক্ষা অব্যাহত থাকবে এবং বীমাগ্রহীতাকে আর অতিরিক্ত ঝুঁকিভিত্তিক প্রিমিয়াম বহন করতে হবে না। এ পর্যায় থেকে বীমাগ্রহীতার নিজস্ব ২০ শতাংশ (১০ হাজার টাকা) কার্যত প্রতি বছর সঞ্চয় হিসেবে জমা হতে থাকবে, যা বছরভিত্তিক লভ্যাংশসহ বৃদ্ধি পেয়ে ১০ বছর মেয়াদের শেষে বীমাগ্রহীতার উল্লেখযোগ্য সঞ্চিত মূলধনে রূপ নেবে।
জলবায়ু পরিবর্তন শুধু প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটায় তা নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেও বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ প্রভাব মোকাবেলার জন্য প্রয়োজন একটি মানবাধিকারভিত্তিক বীমা ব্যবস্থাপনা নীতি যা জলবায়ু বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর অধিকার ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।
শামীম আরফীন: নির্বাহী পরিচালক
অ্যান অর্গানাইজেশন ফর সোশিওইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (অ্যাওসেড)