কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

জেগে উঠেছে বিশ্ব : ফিলিস্তিন প্রশ্নে প্রতিবাদের ঝড়

ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী [সূত্র : কালের কণ্ঠ, ০৭ অক্টোবর ২০২৫]

জেগে উঠেছে বিশ্ব : ফিলিস্তিন প্রশ্নে প্রতিবাদের ঝড়

প্রথম দফায় গাজা অভিমুখে খাদ্য ও অন্যান্য ত্রাণবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ৪২টি জাহাজের সব কটিই আটক করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এসব নৌযানে থাকা নোবেল বিজয়ী সুইডিশ মানবাধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ ৪৬১ জনকে। কিন্তু মানবাধিকারকর্মীরা ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে বদ্ধপরিকর। ত্রাণবাহী আরো ৯টি জাহাজ গাজা অভিমুখে রওনা দিয়েছে।

 

 


সব জাহাজে সম্মিলিতভাবে ৪৪টি দেশের ৫০০ ব্যক্তি রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ দেশে পরিচিত মুখ। তাঁরা নিজ দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন। গাজা অভিমুখে যাত্রাকারী নৌবহরে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করছেন মানবাধিকারকর্মী আলোকচিত্র শিল্পী শহিদুল আলম।

 

 

গাজা অভিমুখে যাত্রাকারী অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, যত প্রতিবন্ধকতাই আসুক না কেন, তাঁরা গাজায় পৌঁছবেন। সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, ইসরায়েলি বাহিনী বন্দিদের ঠিকমতো খাবার এবং চিকিৎসা সুবিধা দিচ্ছে না। এর প্রতিবাদে বন্দিরা আমরণ অনশন শুরু করেছেন।
মাবনবাধিকার সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

 


গাজায় চলমান ইসরায়েলি সহিংসতার প্রতি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে তারা বেশ কয়েকবার মিশন পরিচালনা করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের কনসায়েন্স নামক জাহাজে ২৫টি দেশের সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। ইসরায়েল প্রায় দুই বছর ধরে সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ২৭০ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। অনেকেই আহত হয়েছেন এবং বন্দি রয়েছেন।

 

 

জেগে উঠেছে বিশ্ব : ফিলিস্তিন প্রশ্নে প্রতিবাদের ঝড়১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটি মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিতাড়িত হয়। তাদেরই একটি অংশ ফিলিস্তিনে এসে আশ্রয় প্রার্থনা করে। একান্ত মানবিক কারণে ফিলিস্তিনবাসী তাদের আশ্রয় দিয়েছিল। সেই আশ্রয়প্রার্থী ইহুদিরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ইহুদিদের ফিলিস্তিনে নিয়ে আসে এবং আশ্রয় প্রদান করে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করতে থাকে। এ ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাদের এই অন্যায় কর্মে সহায়তা করে। অস্ত্র এবং অর্থ দিয়ে তাদের শক্তিশালী করে তোলা হয়। এখন ইসরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ এবং মানবতাবিরোধী শক্তিতে পরিণত হয়েছে। উন্নত বিশ্ব কথায় কথায় মানবাধিকারের সবক দিলেও ইসরায়েলের জঘন্যতম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তারা নীরব। তাদের এই দ্বিমুখী আচরণ ইসরায়েলকে অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত করেছে।

 

 

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বর্তমান সংকট শুরু হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর প্রতিরোধযোদ্ধা বাহিনী হামাস কর্তৃক ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামলা চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে। হামাসের আক্রমণের পর ইসরায়েলি বাহিনী এই অঞ্চলে ব্যাপক হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালানো শুরু করে, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। দিন দিন ইসরায়েল তাদের হামলার তীব্রতা বাড়িয়ে চলেছে। ইসরায়েলের উদ্দেশ্য হচ্ছে পুরো গাজাকে জনশূন্য করে সেখানে ইহুদি বসতি গড়ে তোলা এবং চিরদিনের মতো এই এলাকাকে দখল করে নেওয়া। হামাস ইরান সমর্থিত একটি সশস্ত্র স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাবাহিনী, যারা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি দখলদারির অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি বর্বরতার বিরুদ্ধে হামাস তাদের প্রতিরোধযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। হামাসকে দমনের নামে ইসরায়েল এই অঞ্চলে প্রথাগত যুদ্ধ শুরু করেছে। তারা আধুনিক মারণাস্ত্র ব্যবহার করে গাজাবাসীকে হত্যা করছে। ইসরায়েলি বাহিনী পুরো গাজা এলাকাকে ঘিরে রেখেছে। তারা সেখানে কোনো খাদ্য বা পানীয় প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।

 

 

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার যে জাহাজগুলো পণ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে গাজার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে, তাদের এই কার্যক্রম মূলত একটি প্রতীকী প্রতিবাদ। বিশ্ববিবেককে জাগ্রত করার প্রচেষ্টা মাত্র। গাজা বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বিপন্ন এলাকায় পরিণত হয়েছে। এখানে প্রতিদিন শত শত নিরীহ অধিবাসীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। তাদের খাবার ও পানি দেওয়া হচ্ছে না। জাতিসংঘের প্রতিবেদন মোতাবেক, গাজাবাসী এখন যে পরিমাণ খাবার পাচ্ছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ২৬ শতাংশ। ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়েও ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। গাজা শহরের অন্তত ১০ লাখ অধিবাসী চরম খাদ্যাভাবে আছে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর হয়ে অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছে।

 

 

প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রথাগত যুদ্ধের সময়ও নারী ও শিশুদের হত্যা করা যায় না। এটি যুদ্ধাপরাধের শামিল। কিন্তু গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী যুদ্ধের সব নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে। ভবিষ্যৎ অধিবাসীদের একটি অকার্যকর জাতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে ইসরায়েলি বাহিনী শিশুদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্মমতা চালাচ্ছে। গাজা এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অঙ্গহারা শিশুর আবাসভূমি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। লাখ লাখ গাজাবাসী অপুষ্টিতে ভুগছে। নতুন করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ৬৬ হাজার ২২৫ জন নিহত হয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক। এর মধ্যে খবর সংগ্রহকালে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন দুই হাজার ৬০০ জন সাংবাদিক। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন একটি নজিরও নেই, যেখানে একতরফা যুদ্ধের মাধ্যমে এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আতঙ্কে গাজাবাসী পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আশ্রয় নিচ্ছে।

 

 

 

ইসরায়েল যে এবারই প্রথম নৌপথ অবরোধ করেছে, তা নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার তারা নৌপথ অবরোধ করে গাজাবাসীকে কার্যত বাইরের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে। বিশেষ করে ২০০৭ সালে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র স্বাধীনতাগোষ্ঠী হামাস গাজার ক্ষমতায় এলে ইসরায়েল নৌপথ অবরোধ শুরু করে। ২০২৩ সালের পর থেকে ইসরায়েল গাজায় সর্বাত্মক নৌপথ অবরোধ শুরু করে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে কিছু ত্রাণবাহী জাহাজ প্রবেশ করতে দেয় ইসরায়েল। এর মধ্যে ইসরায়েল ইরানের অভ্যন্তরে আক্রমণ চালিয়েছিল। এতে দেশ দুটির প্রথাগত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভেঙে সর্বাত্মক নৌপথ অবরোধ শুরু করে। বিভিন্ন সময় জাতিসংঘে ইসরায়েলি বর্বরতার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো প্রদানের কারণে তা ভেস্তে যায়।

 

 

ইসরায়েলি বর্বরতার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে উঠতে শুরু করেছে। সম্প্রতি কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফিলিস্তিন প্রশ্নে বিশ্বজুড়ে নৈতিক জাগরণ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে গাজায় চলমান ইসরায়েলি সহিংসতার কারণে ইসরায়েলের বিপক্ষে বিশ্বজনমত প্রবল হতে শুরু করেছে। ইউরোপ থেকে শুরু করে লাতিন আমেরিকা ও আফ্রিকার দেশগুলো পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে শুরু করেছে। মিসর বিশ্বের প্রতি আহবান জানিয়েছে, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দাও, ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনো, গাজায় গণহত্যা বন্ধ করো। মিসরের এই আহবান বিশ্বজনমতকে প্রভাবিত করেছে। সবাই মনে করছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের এখনই সময়। বিশ্বের তিন-চতুর্থাংশ দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত ১৯৩টি দেশের মধ্যে এরই মধ্যে ১৪৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনের কারণে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলো হয়তো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না, তবে এটিও ঠিক যে তারা আর আগের মতো নিশ্চুপ থাকতে রাজি নয়। তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে সমর্থন ব্যক্ত করে যাবে।

 

 

 

ফিলিস্তিন প্রশ্নে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর ভূমিকা খুবই হতাশাজনক। বিশেষ করে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কান্ট্রিজ (ওআইসি) কার্যত নিষ্ক্রিয় সংস্থায় পরিণত হয়েছে। সৌদি আরব থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু দেশ নানাভাবে ইসরায়েলকে মৌন সমর্থন দিয়ে চলেছে। এমনকি কোনো কোনো দেশ পরোক্ষভাবে ইসরায়েলি আগ্রাসনকে সহযোগিতা করছে। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সৃষ্ট বিভেদ ও অনৈক্য ইসরায়েলকে আরো বেপরোয়া করে তুলেছে। মধ্যপ্রচ্যের বেশির ভাগ মুসলিম দেশে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। সংগত কারণেই রাজতন্ত্রের প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের ক্ষোভ বা অসন্তোষ থাকে। এসব দেশের শাসকরা মনে করেন, তাঁরা যদি প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনের পক্ষ নেন, তাহলে আরব বসন্ত সৃষ্টি করে তাঁদের ক্ষমতাচ্যুত করা হতে পারে। তাই তাঁরা এমন কিছু করতে চান না, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অসন্তুষ্ট হয়।

 

 

বর্তমানে ইসরায়েল যেভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাতে ইন্ধন ও সহযোগিতা দিচ্ছে, তাতে শিগগিরই এই সংঘাত বন্ধ হওয়া অথবা ফিলিস্তিন সংকট সমাধানের সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে ইসরায়েল ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের বেশির ভাগই দখল করে নিয়েছে। এটি চলতে পারে না। ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ চাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যেন ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব না থাকে। আর ইসরায়েল চাচ্ছে, তারা পুরো ফিলিস্তিন এলাকা দখল করে নিয়ে সেখানে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। কিছুদিন আগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রসঙ্গক্রমে বলেছিলেন, সৌদি আরবে অনেক পতিত ভূমি পড়ে আছে, সেখানে ফিলিস্তিনবাসীর জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। এটি শুধু মুখের কথা নয়, প্রকৃতপক্ষে ইসরায়েল সে ধরনের স্বপ্নই দেখছে। ফিলিস্তিনিরা এখন নিজ দেশে পরবাসী হয়ে থাকার শঙ্কায় আছে।

 

 

যেভাবে সংকট বাড়ছে, তাতে বোঝা যায় শিগগিরই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট বা সংঘাত বন্ধ হবে না। সংকট সমাধানে বাস্তবতার ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দ্বিরাষ্ট্রিক ব্যবস্থাই হতে পারে সর্বোত্তম সমাধান। সমাধানটি হবে এই রকম—১৯৬৭ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে মিসর ও ফিলিস্তিনের যেসব ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে আরো যেসব ভূমি দখল করেছে, তা প্রত্যর্পণ করে ইসরায়েল তার আগের অবস্থানে চলে যাবে। ফেরত পাওয়া ভূমি সমন্বয়ে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত হবে। ইসরায়েল ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র উভয়ে উভয়কে স্বীকৃতি দেবে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে এমন একটি ব্যবস্থা করা গেলে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান হতে পারে। বর্তমান বিশ্বে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মতো একটি সংকট দিনের পর দিন চলতে থাকবে—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি মানবতাবিরোধী একটি সংকট।

 

 

লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত