কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় কৌশলগত অর্জন অপরিহার্য

মো. নূর হামজা পিয়াস [সূত্র : সময়ের আলো, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬]

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় কৌশলগত অর্জন অপরিহার্য
বিশ্ব শক্তিগুলো আজ নিজেদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ব্যস্ত। একদিকে পরাশক্তিদের কৌশলগত টানাপড়েন, অন্যদিকে আঞ্চলিক আধিপত্যের প্রতিযোগিতা এই জটিল বাস্তবতায় ছোট ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বৈশ্বিক রাজনীতির এই পুনর্বিন্যাসের সময়ে দেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থান নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে। কারণ প্রতিটি বৈশ্বিক সংঘাতের অভিঘাত কোনো না কোনোভাবে আমাদের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও নিরাপত্তায় এসে পৌঁছায়।
 
 
 
 
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার এক সংবেদনশীল ভূখণ্ডে অবস্থিত। পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্যপথ, বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা- সব মিলিয়ে দেশের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গুরুত্ব যেমন সম্ভাবনা তৈরি করে, তেমনি ঝুঁকিও বাড়ায়। বড় শক্তিগুলোর কূটনৈতিক চাপ সামাল দিতে হলে বিচক্ষণতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অপরিহার্য।
 
 
 
বঙ্গোপসাগর আজ কেবল একটি জলসীমা নয়, বরং বৈশ্বিক পরাশক্তিদের কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমা বা ব্লু ইকোনমি অফুরন্ত সম্পদের ভান্ডার। গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, খনিজ সম্পদ উত্তোলন এবং সামুদ্রিক পর্যটন দেশের অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তবে এই সম্পদ আহরণে প্রয়োজন উন্নত প্রযুক্তি ও বিশাল বিনিয়োগ। চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এখানে অংশীদারত্বের জন্য মুখিয়ে আছে। বাংলাদেশ যদি কোনো একক শক্তির পক্ষে না গিয়ে ভারসাম্যপূর্ণভাবে এই সম্পদ ব্যবহার করতে পারে, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নে অভাবনীয় গতির সঞ্চার করবে।
 
 
 
প্রতিবেশী অঞ্চলে ভারতের নীতিগত দৃঢ়তা ও কখনো কখনো দাম্ভিক অবস্থান বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলছে। বাণিজ্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও জলবণ্টন ইস্যুতে সম্পর্কের জটিলতা স্পষ্ট। আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে না উঠলে ভারসাম্যহীনতা বাড়তে পারে। বাংলাদেশকে তাই নিজের স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় ও কৌশলী অবস্থান নিতে হবে।
 
 
 
 
 
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নত দেশগুলো নিজেদের শিল্প সুরক্ষায় নানা নীতি গ্রহণ করছে। পরিবেশ, শ্রমমান ও নিরাপত্তা মানদণ্ডের অজুহাতে নতুন শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। ফলে রফতানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের প্রধান রফতানি খাতগুলোর ওপর এর প্রভাব সুস্পষ্ট।
 
 
 
একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপও বাড়ছে। গত এক দশকে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি এখন পরিপক্ব হয়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রফতানি ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ স্থিতিশীল না থাকলে এই চাপ অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলতে পারে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় তাই সতর্কতা জরুরি।
 
 
 
বর্তমান বিশ্ব এক অদৃশ্য ডিজিটাল যুদ্ধে লিপ্ত, যেখানে ডেটা বা তথ্যই হলো নতুন খনিজ সম্পদ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মানদণ্ডগুলো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশ যদি বিশ্বমানের ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে না পারে, তবে তথ্যের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে। পরাশক্তিগুলো প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করতে চায়, এখানে বাংলাদেশকে কেবল প্রযুক্তির ভোক্তা না হয়ে উদ্ভাবকের ভূমিকায় আসতে হবে। তরুণদের উন্নত এআই প্রশিক্ষণে শিক্ষিত করা এবং সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা এখন জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রযুক্তির এই বৈশ্বিক দৌড়ে পিছিয়ে পড়া মানেই হলো দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীলতার ফাঁদে পড়া।
 
 
 
 
প্রবাসী আয় দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। তবে বৈশ্বিক মন্দা, শ্রমবাজারের প্রতিযোগিতা ও নীতিগত পরিবর্তনের কারণে এর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন বাজার অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
 
 
 
তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ও বৈশ্বিক চাকরির সুযোগও আগের মতো সহজ নয়। প্রযুক্তিগত দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের অভাব অনেককে পিছিয়ে দিচ্ছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থায় বাস্তবমুখী পরিবর্তন জরুরি। কেবল সনদ নয়, দক্ষতাই এখন মূল সম্পদ।
বিশ্বায়নের সুফল পুরোপুরি কাজে লাগানোর মতো সক্ষমতা বাংলাদেশের এখনও সীমিত। অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও লজিস্টিক ব্যয়, জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও নীতির অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য নীতিপরিবেশ ছাড়া বৈশ্বিক সুযোগ কাজে লাগানো কঠিন।
 
 
 
এই প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার দাবিদারদের জন্য প্রশ্নগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা কীভাবে ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখবে? কৌশলগত অংশীদারত্ব নির্বাচন কীভাবে হবে? অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় কোন পথ অনুসরণ করা হবে? জনগণ এসব প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর প্রত্যাশা করে।
 
 
 
 
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বৈশ্বিক সংঘাতগুলো প্রমাণ করেছে যে খাদ্য নিরাপত্তা সরাসরি ভূরাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি দেশের কৃষি খাতকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও গম, ভোজ্য তেল এবং ডাল আমদানিতে বাইরের বিশ্বের ওপর নির্ভরশীল। এই নির্ভরশীলতা কমাতে হলে কৃষি খাতে যান্ত্রিকীকরণ ও উচ্চফলনশীল বীজের ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বা সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত হলেও যেন দেশের মানুষ খাদ্য সংকটে না পড়ে, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য মজুদ ব্যবস্থা এবং বিকল্প আমদানি উৎস আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা জরুরি।
 
 
 
বহুমুখী কূটনীতি এখন অপরিহার্য। একক শক্তির ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। বাণিজ্য চুক্তি, বিনিয়োগ সহযোগিতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে বহুপক্ষীয় অংশগ্রহণ দেশের জন্য উপকারী
হতে পারে। কৌশলগত নিরপেক্ষতা অনেক সময় সবচেয়ে কার্যকর অবস্থান।
 
 
 
 
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হওয়া অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ, অথচ এর পেছনে আমাদের দায় নগণ্য। বৈশ্বিক জলবায়ু রাজনীতিতে বাংলাদেশের উচিত হবে ‘ক্লাইমেট জাস্টিস’ বা জলবায়ু ন্যায়ের দাবিতে সোচ্চার হওয়া। উন্নত দেশগুলো থেকে ক্ষতিপূরণ ও প্রযুক্তি সহায়তা আদায়ের জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে জোরালো কূটনীতি প্রয়োজন। কেবল সাহায্যের আবেদন নয়, বরং কার্যকর অ্যাডাপটেশন বা অভিযোজন মডেল বিশ্বকে দেখিয়ে বাংলাদেশ নেতৃত্বের আসনে বসতে পারে। বনভূমি রক্ষা, উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ এবং ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার ক্ষমতা আগামী দিনের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।
 
 
 
অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণ এখন সময়ের দাবি। একটি বা দুটি খাতের ওপর নির্ভরশীলতা ঝুঁকিপূর্ণ। কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি, ঔষধশিল্প ও হালকা প্রকৌশল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। রফতানি বাজারও বৈচিত্র্যময় করতে হবে।
 
 
 
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বিদেশি ঋণ অনেক সময় ‘ঋণের ফাঁদ’ হয়ে দাঁড়ায়, যা সার্বভৌমত্বকে খর্ব করতে পারে। বাংলাদেশ বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে চীন, ভারত, জাপান ও বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হলো ঋণের শর্তাবলি ও পরিশোধের সক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। যদি ঋণের সুদের হার বেশি হয় এবং প্রকল্পের আয়ের চেয়ে কিস্তির পরিমাণ বেশি হয়ে যায়, তবে তা মুদ্রাস্ফীতিকে উসকে দেবে। ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে ভূরাজনৈতিক প্রভাব এড়িয়ে কেবল অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতি বিচার করা উচিত। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা এবং ঋণের ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই হবে আগামীর নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
 
 
 
জ্বালানি নিরাপত্তা আরেকটি বড় প্রশ্ন। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা সরাসরি শিল্প উৎপাদনে প্রভাব ফেলে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হতে পারে।
 
 
 
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান দেশটিকে একটি রিজিওনাল হাব বা আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করার সুযোগ করে দিয়েছে। ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে এবং সড়ক সংযোগের মাধ্যমে ভারত, নেপাল, ভুটান এবং আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়া সম্ভব। তবে ট্রানজিট ও কানেক্টিভিটি সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা সবার আগে বিবেচনা করতে হবে। শুল্ক আদায়, অবকাঠামো ব্যবহার এবং কৌশলগত সুবিধার বিনিময়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। সঠিক ট্রানজিট কূটনীতি কেবল রাজস্বই বাড়াবে না, বরং আঞ্চলিক রাজনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব ও দরকষাকষির ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
 
 
 
প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করে। দুর্নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন। শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
 
 
 
মানবসম্পদ উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। প্রযুক্তিগত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে বৈশ্বিক মানের দক্ষতায় প্রস্তুত না করলে ভবিষ্যতের অর্থনীতি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।
 
 
 
অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও বৈদেশিক কৌশলের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। বিভাজন ও অস্থিরতা বিদেশি বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য গড়ে তোলা তাই অপরিহার্য।
 
 
 
বৈশ্বিক শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতার এই উত্তাল সময়ে অভ্যন্তরীণ অনৈক্যই হলো একটি দেশের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রশ্নে একটি জাতীয় ঐকমত্য থাকা আবশ্যক। বিদেশি শক্তিগুলো অনেক সময় অভ্যন্তরীণ বিভাজনের সুযোগ নিয়ে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। তাই একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাবান দেশ হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে হলে নাগরিক চেতনা ও দেশপ্রেমের কোনো বিকল্প নেই। বিদেশের ওপর অতি-নির্ভরশীলতা কমিয়ে ধাপে ধাপে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার লক্ষ্য স্থির করতে হবে।
 
 
 
বিশ্ব শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার যুগে বাংলাদেশ এক সংবেদনশীল মোড়ে দাঁড়িয়ে। চ্যালেঞ্জ যেমন বড়, সম্ভাবনাও তেমনি বিস্তৃত। সঠিক কৌশল, দক্ষ নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকলে এই সংকটই নতুন সুযোগের দ্বার খুলে দিতে পারে।
 
সময়ের আলো/এনএ